এই পোস্টটি ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে


সাম্প্রদায়িক পার্বত্য চট্টগ্রাম: নাটাই সরকারের হাতে, জুম্ম জনগণ খুজে বেড়ায় সহায়!

(লেখাটির শিরোনাম হতে পারতো, সামান্য মানববন্ধনেই সরকার তথা দীঘিনালা প্রশাসনের এতো ভয়!)

অবস্থা্দৃষ্টে মনে হচ্ছে আশ্রয়হীন হয়ে আছি! মনে হচ্ছে সহায়হীন হয়ে পড়েছি! সরকারের হাতে রয়েছে সব লাগাম, ঘুড়ির নাটাই। ইচ্ছে করলেই ধরতে পারে লাগাম! নাটাই টেনে ধরতে পারে যখন তখন!
গত ৩০ জুন দীঘিনালায় যুবফোরামের সমাবেশ থেকে ঘোষনা দেয়া হলো, বাবুছড়ায় বিজিবি কর্তৃক ভুমি বেদখলের প্রতিবাদে ৩ জুলাই এলাকার জনগণ বাবুছড়া থেকে দীঘিনালা পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে, এবং সে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ হবে বলে ঘোষনা দেয়া হলো।

কিন্তু, হঠাৎ কী যে হলো! আকস্মিক দীঘিনালা প্রশাসন কোত্থেকে যেন আবিষ্কার করলো যে, দীঘিনালায় সাম্প্রদায়িক সংগঠন বাঙালি ছাত্র পরিষদ একই স্থানে কর্মসিূচি ঘোষনা করেছে! এই তথ্য তারা কোত্থেকে পেলেন তা কিন্তু খোলাসা করা হলো না! কোনো মিডিয়ায় বা কোনো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেও কিন্তু বাঙালি ছাত্র পরিষদ দীঘিনালায় কর্মসূচি ঘোষনা করেনি! তবে প্রশাসন এই কর্মসূচির কথা কোথায় পেলো!?

এই কর্মসূচি তবে কি পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রদায়িক প্রশাসনের(দীঘিনালা ইএনও’র) স্বকপোলকল্পিত?!
মনে তো হয় তারা নিজেরাই ‘বাঙালি ছাত্র পরিষদ’ সেজে এই ‘একই স্থানে বাঙালি ছাত্র পরিষদের কর্মসূচির’ ঘোষনা প্রদান করেছে! ( এক ‘ম’এর নাম দিয়ে কোথাও কোথাও বাঙালি ছাত্র পরিষদের নাম দিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু এই ‘ম’ খাগড়াছড়িতে ৬কোটি টাকার এ টেন্ডার এক সরকারদলীয় এক গডফাদারের কাছ থেকে বখশিশ পেয়েছে বলে জেনেছি। তাকে শিখন্ডি করা তো হবেই! কারণ সে তো টেন্ডার ভক্ত!)

এই যদি হয় ’ওঝার ভুমিকা’ বা ‘বৈদ্য’র ভূমিকা, তবে তো যন্ত্রণা নিত্য সঙ্গি হবে যে! তবে তো রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকাই যে নেবে!
তবে সমস্যার সমাধান হবে কীভাবে!?

বোধকরি নিজের স্বার্থহানির ঘটনা ঘটলে ‘সাম্প্রদায়িকতাকে ’ সদ্ব্যবহার করতে পিছপা হয় না ‘সাম্প্রদায়িক পার্বত্য চট্টগ্রাম’এর ‘সাম্প্রদায়িক’ প্রশাসন তথা সরকার!

তারিখ: ০২ জুলাই, ২০১৪

রাত ১০.২৬টা

 

Advertisement