এই পোস্টটি ৪৯৯ বার পড়া হয়েছে


প্রসঙ্গ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নির্বাচন পূর্বের একদুই রাতই জয় পরাজয়ের প্রধান নির্ধারক

তারিখ: ০৩ জানুয়ারি, ২০১৪।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ০৫ জানুয়ারি, ২০১৪। ০৩ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীর পক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রচারনা চালানোর শেষ সময়। এরপর থেকে আর প্রচারণা চালানো যাবে না বলে প্রশাসনিক নির্দেশ রয়েছে। এবং সে অনুযায়ী সকল প্রার্থী নিজের মার্কার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করে দিয়েছে। খাগড়াছড়ি ২৯৮নং সংসদীয় আসনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই কথা প্রযোজ্য।

কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারনা শেষ হলেও অনানুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা কিন্তু থেমে থাকবে না। এবং সবাই মনে করছেন, এই অনানুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারনাই নির্ধারণ করে দেবে কোন প্র্রার্থীর পক্ষে ভোটের পাল্লা ভারি হবে।

সাধারণভাবে দেখা যায়, নির্বাচনের আগের দুইরাত এবং বিশেষ করে পূর্বরাতটিতে প্রার্থীরা এবং সমর্থকগণ নিজের মার্কার বিজয় ছিনিয়ে আনার জন্য নানা ধরণের তৎপরতা চালিয়ে থাকে।

প্রথমত, দেখা যায়, প্রচুর পরিমাণে অর্থ বিলি করে ভোটারদের প্রভাবিত করে থাকে অর্থশালী প্রার্থীরা ।

এছাড়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ বা প্রভাবশালীরা গিয়ে নিজের সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের ভোট দেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে থাকে।

অথবা, দেখা যায়, এলাকায় ভোটারদের নানা ধরণের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে থাকে বা নগদ এমন কিছু দিয়ে থাকে, এবং এ কারণেই ভোটাররা প্রভাবিত হয়ে যেতে পারে।

অথবা, শক্তিশালী পক্ষ অস্ত্র বা শক্তির ভয় বা হতে পারে ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজের পক্ষের প্রার্থীর পক্ষে ভোট দিতে জনগণকে বা ভোটারদের প্রভাবিত করে থাকতে পারে।

অথবা, সম্ভব হলে অনেক প্রার্থীর পক্ষে প্রার্থীর লোকজন ভোট কেন্দ্রও দখলে নিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে পারে।

অনেক জায়গায় দেখা যায়, নানান ধরণের গুজব রটিয়ে প্রার্থীর পক্ষে জনসমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকে। এবং এই গুজব রটানোই হয়তো অনেক ক্ষেত্রে প্রার্থীকে জিতিয়েও দিতে পারে।

এই সকল দিক খেয়াল রেখে এটাই বলা যেতে পারে, বিজয় ছিনিয়ে আনতে হলে নির্বাচনের এই পূর্বরাতসমূহের দিকে প্রার্থীদের সদা সর্বদা আমলে নিয়ে নিতে হবে।

Advertisement