এই পোস্টটি ৩৬৭ বার পড়া হয়েছে


প্রশাসনের দায়সারা আলোচনা প্রস্তাব উজো বাজারবাসীর প্রত্যাখ্যান

CHT24.com News

বাঘাইছড়ি প্রশাসনের দায়সারা গোছের আলোচনা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে সাজেকের উজো বাজারের গ্রামবাসী। আজ ৩ আগস্ট সকালে সাজেক থানার ওসি গঙ্গারাম গ্রামের কার্বারী জ্যোতিলাল চাকমাকে ফোন করেন। তিনি জ্যোতিলাল চাকমাসহ গ্রামের কয়েকজনকে বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়ে গিয়ে বুদ্ধমূর্তি নির্মাণে প্রশাসনের বাধাদানের বিষয়ে সমাধানের প্রস্তাব দেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমন চৌধুরী এই প্রস্তাব দিয়েছেন বলে ওসি জানান। প্রশাসনের এই প্রস্তাবনাকে দায়সারা গোছের এবং মূল সমস্যা পাশ কাটিয়ে যাবার প্রচেষ্টা আখ্যায়িত করে প্রশাসনের আলোচনা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার ঘোষনা দেন গঙ্গারাম উজো বাজার গ্রামের কার্বারী এবং সাজেক ভূমিরক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জ্যোতিলাল চাকমা।
তিনি সাজেক থানার ওসিকে  বলেন, বিজিবি ক্যাম্প নির্মাণের নামে ভুমি অধিগ্রহণ করে উজো বাজারের গ্রামবাসীকে নিজ বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হবে না এবং নির্দিষ্ট স্থানে বুদ্ধিমূর্তি নির্মাণ করতে প্রশাসন কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না এই শর্তের ভিত্তিতেই কেবল সাজেকবাসী প্রশাসনের সাথে আলোচনা ও সমঝোতায় বসতে প্রস্তুত। তা না হলে বুদ্ধমূর্তি নির্মাণে বাধাদান করার আড়ালে উজো বাজারবাসীকে নিজ বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদের প্রচেষ্টার প্রতিবাদে এলাকাবাসী তীব্র গণআন্দোলন গড়ে  তুলবে বলে তিনি ঘোষনা দেন।
উল্লেখ্য, সাজেকের উজো বাজারের জনগণ মাত্র তিন শতাংশ জায়গার মধ্যে দীঘিনালা-বাঘাইহাট-সাজেক যাবার পথের পাশে একটি বুদ্ধমূর্তি নির্মাণ করার কাজ শুরু করলে বাঘাইছড়ি প্রশাসন গত ২২ জুলাই তা নির্মাণ করতে বাধা প্রদান করে। পরে ২৩ জুলাই জনগণের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মুখে প্রশাসন জনগণের সাথে সমঝোতায় উপনীত হয় যে, পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনী উজো বাজারে থাকবেনা, ১৪৪ ধারা জারি করা হবে না। প্রশাসন এই সমঝোতা মানলে উজো বাজারের জনগণ বুদ্ধমূর্তি নির্মাণকাজ ৩ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত রাখবে।
আজ ৩ আগস্ট প্রশাসন সাজেকের উজো বাজারে এসে জনগণের সাথে এ বিষয়ে নুতন করে আলোচনা শুরু করবে বলে গত ২৩ জুলাই ঘোষনা দিয়েছিল।

সিএইচটি২৪.কম

রবিবার; ০৩ আগস্ট, ২০১৪

পার্বত্য চট্টগ্রাম:

Advertisement