এই পোস্টটি ১২৫ বার পড়া হয়েছে


’ভিন্নখাতে প্রবাহিত’ ও আপন অন্তর্জালীয় মতামত

তিন তারিখের ফেব্রুয়ারি ২০১৭। খাগড়াছড়িতে প্রয়াত শ্রদ্ধেয় চন্দ্রমণি মহাস্থবিরের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ দাহক্রিয়া অনুষ্ঠানের জন্য পূন্যার্থীদের মেলা বসেছিল মাটিরাঙ্গা ও খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী চট্টগ্রাম-খাগড়ছড়ি সড়কের পাশে অবস্থিত একটি বৌদ্ধ বিহারে।  অনুষ্ঠানে সমবেত হয়েছিল আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা হাজার হাজার জনতা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উৎসবের পরিবেশও ছিল অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে। সাধারণভাবে বৌদ্ধ ধর্মীয় মতে কোন উপসম্পদা প্রাপ্ত ভিক্ষু স্বাভাবিকভাবে পরিণত বয়সে মারা গেলে মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে শোক প্রকাশ না করে তার সদগতি যে লাভ হয় তার জন্য ধর্মীয় বিধানমতে শ্রাদ্ধক্রিয়াসহ ধর্মীয় কর্মসূচি করার বিধান রয়েছে।  ধর্মীয় কর্মসূচিতে দুঃখপ্রকাশের বদলে তাই অনেকসময় উৎসবমুখর পরিবেশ থাকে বলেই এতদিন দেখে েএসেছি। িএবারও নিশ্চয়ই তার ব্যতিক্রম হয়নি তা-ই ধারণা করি।  অনুষ্ঠানে নিজে যাবো, ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবো এই চিন্তা ছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত নানা কারণে ও সাম্প্রতিককালে আরো নতুন মামলায় জর্জরিত হবার কারণে কাউকে ’বিব্রতকর’ অবস্থায় না ফেলার উচ্ছা থেকে আমি আর কর্মসূচিতে যাইনি। কিন্তু না গিয়েই বোধহয় বেঁচে গেলাম!

সকাল সাড়ে এগারটার দিকে  এক ছোট ভাই ফোন করল। সে ফোনে জানাল, দাদা, আলুটিলা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পর্যটন স্পটের পাশে বড় আকারের ট্রাক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ১০/১২ জন মারা যেতে পারে, আহত ১৫/২০ জন হতে পারে। তার কাছ থেকে কথাটি শোনার পরে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গেল।  টিভি অন করলাম এবং পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ ও সামাজিক গণমাধ্যমে ঢু মারলাম। হ্যাঁ, সত্যি সত্যিই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এবং কোথাও কোথাও মৃত্যুর সংখা ৮ কোথাও ১০ বা তারও বেশি বলা হচ্ছে বা দেখানো হচ্ছে।

প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদন পড়ার পড়ে এবং ঘটনাটির মাত্রা বা এতজনের মৃত্যুকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নেয়ার মত না হওয়ায় ঘটনা বিষয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করলাম-

সড়ক দুর্ঘটনা নাকি ট্রাক চাপা দিয়ে হত্যা?
খবর- আজ ০৩ ফেব্রুয়ারি ১১টায় খাগড়াছড়ি আলুটিয়ায় বৌদ্ধ ধর্মীয়য় অনুষ্ঠানে আগতদের উপর ট্রাক চাপায় ১০ এর অধিক নিহত, আহত ২০ এর অধিক।

এই মন্তব্য করার পরে অনেকেই টাইমলাইনে এসে তাদের নিজস্ব মত বা বক্তব্য দিতে লাগল। আমি তার কিছু পড়লাম এবং কোন মতামতই দিলাম না বা প্রত্যুত্তর প্রদান করলাম না।  তবে বুঝতে পারলাম যে, অনেকেই বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারছিল না। এছাড়া বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জায়গায় এমন ধরণের গাড়ি মাড়িয়ে আইএস-এর হামলা হয়েছে।  চাকমা কথায় ‘সিবিদি হেইনেই জিল ঘা অহলে দই পিলে দিঘিলেও ডর গরে’(চুন খেয়ে জিহ্বা ঘা হয়েছে, এখন সাদা মতন দইয়ের পাতিল দেখলেও তাকে সুখাদ্য না ভেবে চুনের মতোই মনে হয়) মতো হবার অবস্থা হয়েছে পার্বত্যবাসীদের।  তাই অনেকের মতামতে সন্দেহ অবিশ্বাস থাকবে এটাই স্বাভাবিক।  তবে এতজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটার পরেও হিলের কোথাও অস্বাভাবিকভাবে কোনো ধরণের পাল্টা কিছু বাস্তবে যে ঘটেনি তা-ই স্বস্তিকর। না হলে এমন ধরণের কোন ঘটনার পেছনে সাম্প্রদায়িকতার জিগির যে তোলা হয় না তা কিন্ত্র নয়।  কেউ কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে অনেক সময় ওঁত পেতে থাকে।

যারা নিজের আত্মীয় স্বজন হারিয়েছেন  এবং আহত অবস্থায় যারা গোঙাচ্ছে তারা যে কতটা দুঃখ কষ্ট ও হাহাকারের মধ্যে দিন পার করছেন বা করেছেন তা নিয়েই সারাদিন ও রাত চিন্তা ছিল।  এমনকি ফোনে ও অন্যজনের কাছ থেকে জানতে চেষ্টা করেছি নিজের ও নিজেদের পরিচিত কেউ হতাহত হল কি না।

রাতে অনেক সময় ঘুম আসে না। তাই এমনি বসে ছিলাম এবং নেট ঘাটাঘাটি করছিলাম।  সহসা দেখলাম একটি অনলাইন ওয়েবসাইটের শিরোনামে বলা হচ্ছে- ট্রাক দুর্ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অভিযোগ করা হচ্ছে।

লেখাটি পড়ে দেখলাম। এবং লেখাটিতে ট্রাক চালকের নাম এক জায়গায় ‘ফারুক’ লেখা ও অন্য জায়গায় ‘পলাশ’ লেখা দেখলাম। এছাড়া আহত হবার সংখ্যাও দু’জায়গায়(একই লেখায়) দু’ধরণের দেখলাম। সম্ভবত, টাইপ করতে ভুল হতে পারে। আমি স্ক্রীণশট নিয়ে লেখাটি ফেসবুকে তুলে ধরলাম এবং মন্তব্য করলাম-

একটি অনলাইন মিডিয়া রিপোর্ট করেছে প্রশাসনের উদ্ধৃতি দিয়ে যে, আলুটিলায় ট্রাক চাপা দিয়ে *হত্যা* বা *খুন* বা নিহত করার ঘটনাকে *ভিন্নখাতে প্রবাহিত* করা হচ্ছে *সামাজিক মাধ্যমে* প্রচারণা চালিয়ে। বিষয়টি স্পর্শকাতর। তাই মন্তব্য করলাম না। কিন্তু, *দায়িত্বজ্ঞানহীন*এর মত চালকের নাম কখনো *পলাশ* কখনো *ফারুক* লিখলে তার জবাব কার কাছ থেকে চাইতে হবে?
পার্বত্য চট্টগ্রামে সবকিছুকে *সাম্প্রদায়িকতার* নিক্তি দিয়ে মাপতে মাপতে এখন *বিশ্বাসযোগ্যতা* কত যে তলানিতে নেমেছে তা অনুধাবন করার জন্য দেশের সচেতন জনগণের সচেনতার দরকার থাকা দরকার।

এই মন্তব্য আমাকে করতে হল এই কারণে যে, অনলাইন নিউজ মিডিয়াটি বিষয়ে এমনিতেই সাম্প্রদায়িক ভাবাপন্ন খবর প্রকাশ করার েবেশি অভিযোগ রয়েছে, তার উপর যদি কোনভাবে তারা সন্দেহজনকভাবে ভুল তথ্য সরবরাহ করে তবে তো তাতে আরো বেশি করে সন্দেহ অবিশ্বাসই বাড়াতে সহায়তা করবে।  সুতরায়, অন্যজনকে দায়িত্বশীল হতে বলার আগে নিজেদেরও যে দায়িত্বশীল হতে হয় তা বলার জন্যই এই স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম।

তারপর দেখলাম কিছুক্ষণের মধ্যে তারা তাদের নিউজে নামটি সংশোধন করেছে।  এবং তার জন্য তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে স্ট্যাটাস দিলাম-

সংশোধনীর জন্য ধন্যবাদ!

অনলাইন নিউজ মিডিয়াকে লেখাটি সংশোধন করার জন্য ধন্যবাদ জানাতেই হয়। প্রকৃত চালক যে *পলাশ*, *ফারুক* নয়, তা সংশোধন করা হয়েছে।

তবে এখনো সংশোধনের বাকি আছে! *আহত* হওয়ার তথ্যটি দুই জায়গায় দুইভাবে দেয়া আছে!
প্রতিবেদনের প্রথম অংশে আহতের সংখ্যা *১৪*, অথচ শেষ অংশে *৯*।
রাতে জেগে আছি তাই এই স্ট্যাটাস!!
ধন্যবাদ

এবং তারপর রাতে ঘুমাতে গেলাম। কিন্তু অবাক ব্যাপার! তারপরদিন অর্থাৎ আজ ০৫ ফেব্রুয়ারি সকালে উঠে নিউজটি ঘাটতে গিয়ে দেখলাম, তারা আমার ফেসবুকের স্ক্রীনশট তাদের নিউজে ব্যবহার করেছে। অর্থাৎ, তারা বোঝাতে চেয়েছে যে, দুর্ঘটনা নিয়ে আমার ফেসবুকের মন্তব্য প্রশাসন আমলে নিয়েই ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার কথা বলেছে!

প্রশাসন কী বলেছে তার উদ্ধৃতি নিউজ সাইট থেকে কপিপেস্ট করলাম-

এদিকে পুলিশ সুপার মো. মজিদ আলী শুক্রবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি সদর থানায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে এটি দুর্ঘটনা বলে প্রমাণিত হয়েছে। কিন্তু দুর্ঘটনার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ  স্বার্থান্বেষী একটি মহল ঘটনাটি অন্যদিকে প্রভাবিত করতে অপপ্রচার করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তারপর পরই আমি ফেসবুকে আবার আরেকটি স্ট্যাটাস দিলাম। তাতে বললাম-

মন্তব্যের স্ক্রীনশট একটি নিউজ ওয়েবসাইটে ব্যবহার বিষয়ে ব্যক্তিগত মত

যারা আমার কমেন্ট স্ট্যাটাস বিষয়ে বা ট্রাক চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা বিষয়ে মন্তব্য করেছেন তাদের দুঃখবেদনাসংযুক্ত ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের সকল মন্তব্য বা মতামতের সাথে আমি সহমত নিশ্চয়ই হতে পারব না।!

তবে দায়িত্বশীলতার দিক থেকে কোন ঘটে যাওয়া সমসমায়িক ঘটনা বিষয়ে আমাকে মাঝে মাঝে মন্তব্য বা মতামত দিতেই হয়। এবং এক্ষেত্রে দেখা যাায়, অনেকে পুরো বিষয়কে খেয়াল না রেখে, আমি একজন ইউপিডিএফ কর্মী বা মিঠুন চাকমা একজন পাহাড়ি, এই দৃস্টিভঙ্গি বা প্রি এজামশনকে ধারণায় রেখে তারা আমার মত বা মতামত বা বক্তব্য বা মন্তব্যকে অনেকসময় ভিন্নদিকে নিয়ে যেতে চায় তা অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়! এবারও তার ব্যতিক্রম দেখলাম না!

পাহাড়ের খবর নিয়ে নিউজ প্রচার করা একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করে দেখলাম, আমার উপরের কমেন্ট বা মন্তব্য তারা স্ক্রীনশট আকারে তাদের নিউজ মিডিয়ায় প্রচার করেছে। সম্ভবত, আমার মতামতকে তারা, মিঠুন চাকমা ইউপিডিএফ কর্মী বা মিঠুন চাকমা একজন পাহাড়ি, এই মনমানসিকতা ধারণ করে আমার মতামতের মধ্যে ’ভিন্নকিছু’ দেখেও থাখতে পারে!

এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে মতামত প্রকাশ বা সাধারণ মন্তব্য করতে গেলে যে কতটা ‘ঝুঁকি’ নিতে হয় তার কথা কীভাবেই বা বোঝানো যায়!
এবং তারা ৫৭ ধারা দিয়ে আামাকে জেলে ঢুকিয়েছে। এখন জেল থেকে বের হবার পরে আমার সামাজিক গণমাধ্যম ও ব্লগে সক্রিয়তার কারণেই যে তারা আবার আমার নামে মামলা ঠূকে দিচ্ছে তা তো তাদের এই আচরণেই বোঝা যায়!
কিন্তু আমার এ কথা দ্ব্যর্থহীনভাবে বলা দরকার, আমি ব্যক্তি মিঠুন চাকমা, কোন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা লালন করি না, পারণ করি না, এবং পোষণ করি না, সমর্থন করি না। শুধু এটাই বিশ্বাস করি যে, নিজস্ব অধিকার সচেতনতা বোধ কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িকতার সাথে তূল্য নয়।

এছাড়া ্আলুটিলায় নিহতদের স্মরণে গতকাল যে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠান  আয়োজন করা হয় তাতে যারা উদ্যোক্তা তারা ফেসবুকে কর্মসূচি বিষয়ে স্ট্যাটাস দিলে তাতে লিখি-

প্রদীপ প্রজ্জ্বলন কর্মসূচী সফল হোক। পাহাড়ে সকলকিছুতে *সাম্প্রদায়িকতা* *অবিশ্বাস* ঢুকে যেতে বসেছে এবং তার জন্য দায় নেয়ার কেউই নেই! বরং আগুনে ঘি ঢেলে *দায়িত্ববোধ*(সকলদিক থেকে) প্রকাশ করা হয়! আপনাদের এই উদ্যোগ ছোট পরিসরে হলেও *দায়বোধ* সকলের মাঝে সৃষ্টির বাতাবরণ এনে দিক এই কামনাই থাকবে।

সর্বশেষ নিচের যে দুটি মন্তব্য করেছি সেগুলো মন দিয়ে পড়তে অনুরোধ করবো।

আমার এই ব্লগ স্ট্যটাস বা লেখা আমার নিজেকে প্রকাশের জন্য নয়, বরং নিজেকে সর্বদা জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা ও অকপট থাকার একটি প্রচেষ্টা।

এরই ফাঁকে বিবিসি বাংলা ফেসবুকে একটি স্ট্যটাটস দিয়েছিলাম তা মতামত প্রকাশ সম্পর্কিত হওয়ায় এখানে কপিপেস্ট করছি-

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চয়ই অবাধ নয়, এবং মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাও নিশ্চয় সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে চিহ্নিত। এখন প্রশ্ন হল, কেন শুধুমাত্র বিশেষভাবে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে’ এমন বই প্রকাশ বা বিক্রি না হয় তার জন্য নজরদারী থাকবে? কী উদ্দেশ্যে এই নজরদারী?

কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে যারা বা যে সংগঠন উগ্র চেতনা ধারণ করে অনেক সময় কোনো কোনো বই বা চিন্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে, মিছিল করে, আক্রমণাত্মক বক্তব্য প্রদান করে বা অনেক সময় আক্রমণাত্মক কাজ করে তাদের কথা চিন্তা করে বা তাদের শান্ত করার জন্য যদি এই উদ্যোগ নেয়া হয়ে থাকে, তবে তাতে আপত্তি থাকবে। কেননা, এতে করে তো তাদের আরো বেশি করে ‘আশকারা’ দেয়া হয়ে থাকবে। সংবিধানে লেখা রয়েছে আইন সবার প্রতি সমান বিবেচিত হবে।

এটা বলা দরকার একটা নির্দিষ্ট সীমানা পর্যন্ত নিশ্চয়ই ধর্মীয় অনুভূতিতে ’আঘাত’ করা সংগত নয়। তাই বলে ‘আলোচনা’ ‘সমালোচনা’ বা ‘আঘাত’ না করে পর্যালোচনা, বিশ্লেষণ, ইতিহাসের আলোকে নতুন করে পর্যবেক্ষণ কি তবে করা যাবে না? এছাড়া বলা দরকার, আইনী সীমার মধ্যে পুলিশ বাহিনীর কাজ কী? আইন শৃংখলা রক্ষা করা নয় কি?

তাই ’ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ বিষয়কে বিবেচনা না করে কোন বই প্রকাশ করার পর বা বই নিয়ে আলোচনা সমালোচনার পরে বা বই নিয়ে কোনো ধরণের উত্তেজনা সৃষ্টি হবার কারণে যে আইনী বিশৃংখলা দেখা দেয় সেদিকেই পুলিশ বাহিনীর নজর দেয়া বা এই দায়িত্ব পালন করা দরকার।

এছাড়া দেশের সাধারণ আইনেও নিশ্চয়ই মতামত প্রকাশ সংক্রান্ত সীমানা নির্দিষ্ট করে দেয়া রয়েছে।

 

এখন এমন অবস্থায় আছি, ৫৭ ধারাকে সমীহ করে না লিখে থাকবো এমন অবস্থাও সৃষ্টি হচ্ছে না, আর ধারাটিকে সমীয় না করে লেখালেখি করলেও ডেমোক্লেস’র তরবারির মতো তা ঝুলতে থাকে! 

আপনার উপর ‘নজরদারী’ চলছে এমন অবস্থায় থাকলে আপনি তার জন্য এই অবস্থাকে কিভাবে মোকাবেলা করবেন বলে আপনার মনেহয়?

সকলকিছু ইতিবাচকভাবে নেবেন!

সবাই ভাল থাকবেন!

 

Advertisement