এই পোস্টটি ২৫১ বার পড়া হয়েছে


প্যাঁচ নিয়ে বাসু চাকমা’র বয়ান

আমার স্বজাতীয় ভ্রাতা এবং ভগ্নিগনের নিকট প্রশ্ন রহিল,উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া সরলতা কোথায় গুপ্ত করিব? আমি কিঞ্চিত হতাশ হইয়া পরিয়াছি এই ভেবে যে এতকাল জিলাপির দেশে থাকিয়া উচ্চ বিদ্যার অর্ধ পাঠ চুকাইয়া এখনো জিলাপির প্যাঁচ শিখিতে সমর্থ হয়নাই! জিলাপির দেশে সাত ঘাটের পানি খাইয়া এখন বরজোর প্যাঁচহীন বিনি ভাতের এগ নুডলস্ তৈরি করিতে পারি। বিনি ভাতের বলিলাম এই কারনে যে ইহা এতই আঠালো যে ইন্দ্রিয় সচেতন থাকিলে ইহা নুডলস্ হইলেও অবচেতন হইবা মাত্র ইহা দলা পাকাইয়া একখানা সান্নে পিদের আকার ধারনকরে, ইহা হতে জিলাপি তৈরির লক্ষ্যে মন স্থির করত পুর্বক চাপ প্রয়োগ করিবা মাত্র ইয়া বড় একখানা বরা পিদে পাওয়া যায় কিন্তু জিলাপি আর পাওয়া যায় না। বরা পিদে লইয়া বেশি কিছু বলিবার নাই বৈজ্ঞানিক ভাষায় এই রুপে ব্যাখ্যা করিতে পারি যে, ত্রি ডাইমেনসনে ইহা বরা পিদে হইলেও টু ডাইমেশনে ইহার সাথে রহস্যময় শূন্যর কোন বিভেদ নাই। অতঃপর আমি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হইয়াছি যে আমার অবচেত মন আমার পূর্বপুরুষগন কতৃক অনুপ্রাণিত। পূর্বপুরুষগনের মধ্য পূর্বে চলাবাপের নাম অনেক শুনিয়াছি কিন্তু রাধামন ধনপুদি পালা খুলিয়া আরেক বার আমক না হইয়া পারিনাই! যে চলাবাপের কথা এতকাল শুনিয়াছি সে চলাবাপ নিজে জিলাপির প্যাঁচ দেখাইতে গিয়া নাতনিদিগের নিকত জব্ধ হইয়া হাটু জলে চুবানি খাইতেছে! যাহা হোক আর বেশি দীর্ঘায়িত করিবনা! এত যে প্যাঁচ প্যাঁচ করিয়া প্যাঁচাল পারিতেছি সেই প্যাচালের প্যাঁচের প্রয়োজনীয়তা যে কত তাহার মর্মাথ আশাকরি জিলাপির দেশে বসবাস রত আমার ভ্রাতা এবং ভগ্নিগন বুঝিতে সমর্থ হইবেন। এখন শেষান্তে আসিয়া একখানা অনুরোধ করিব, আমার অগ্রজ ভ্রাতা/ভগ্নিগন যাহারা প্যাচঁ তৈয়ার করিতে সমর্থ হইয়াছেন তাহারা অনুগ্রহ করিয়া প্যাঁচ তৈরির রেসিপি প্রদান করুন।

 

সৌজন্য- বাসু চাকমা ফেসবুক স্ট্যাটাস

Advertisement