এই পোস্টটি ২৯১ বার পড়া হয়েছে


ক্ষমতা সৃষ্টি করে আমলাতন্ত্র, স্বেচ্ছাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন

ক্ষমতার সাথে যূথবদ্ধ হয় আমলাতান্ত্রিকতা। আমলাতন্ত্র সৃষ্টি করে জনগণের সাথে ক্ষমতাবানদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা। এতে কিছু সুযোগসন্ধানী চাটুকার সৃষ্টি হয়, যারা ক্ষমতাবানদের এমনভাবে ঘিরে রাখে যে ক্ষমতাবানরা তাদের দ্বারা মোহগ্রস্ত প্রভাবগ্রস্ত হয়ে থাকে সবসময়। তারা এই বৃত্তাবদ্ধ ঘেরা বেড়া সৃষ্টিকারীদের দ্বারা এমনভাবে ঘেরাও হয়ে থাকে যে তারা তখন আর বাস্তব জনগণকে সাদাচোখে খোলামেলাভাবে দেখে না। তারা সুযোগসন্ধানী চাটুকারদের দৃষ্টিতে জনগণকে দেখে। এবং এতে তারা ভুল করে, ভুলে পরে।

এবং পরে একসময় তারা ভুল দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টির কারণে জনগণকে দেখে না, জনগণকে বোঝে না। তারা ভুল করতে থাকে। পাল্টা ভুল হতে থাকে। তারা ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। ভুল হতে থাকের কাজগুলো। একসময় জনগণের সাথে ভুল বোঝাবুঝি হয়। ভুলের আবৃত্তি পুনরাবৃত্তি হতে থাকে। তারা অত্যাচারী ভূমিকা নেয়। তারা স্বেচ্ছাচারী হয়ে ওঠে।

কারণ চাটু-সুবিধাবাদী সুযোগবাজ গোখরারা বাস্তব জনগণকে ক্ষমতামদমত্তদের কাছে উপস্থাপিত করতে থাকে বিরোধী-বিদ্রোহী-শত্রু-ক্ষতিকর-অপরাধী হিসেবে।

 

এটাই যেন ক্ষমতামদমত্ত বা ক্ষমতা চর্চাকারীদের নিয়তি!

 

 

দায়িত্ব-কর্তব্যবোধ বা দায়িত্বপ্রাপ্তিকে বা জনগণের সেবা বা জনগণের কাজকে বা অধিকার আদায়ের জন্য প্রাপ্ত লড়াইয়ের দায়িত্বকেও আমরা ‘ক্ষমতা চর্চা’ হিসেবে দেখে থাকি স্বাভাবিকভাবে।

 

আমাদের পার্বত্য রাজনীতি কি  বৃত্ত থেকে ফাঁক গলে বেরিয়ে আসতে পারবে???!!!

 

বিদ্রঃ বেশ কয়েকদিন আগে এই বিষয়বস্তু নিয়ে লেখাটি লিখেছিলাম। আজ সময় সুযোগ পেয়ে কিছু যোগ বিয়োগ করলাম।

Advertisement