এই পোস্টটি ৩৫১ বার পড়া হয়েছে


লড়াই সংগ্রাম বা কর্মসূচি গ্রহণ বিষয়ে মতামত: প্রেক্ষিত লংমার্চ এবং শ্রমিক আন্দোলন

জাতীয় বৃহত্তর বিষয়ে লড়াইয়ের নীতি কৌশল নিয়ে কথা বলা আমার জন্য সাজে না। অনেক কিছুই আমার ভালোমতো জানা নেই।

কিন্তু আমার মনে হলো, লড়াই সংগ্রামে বা কর্মসূচি নির্ধারণেও মূল দ্বন্দ্ব বা প্রধান দ্বন্দ্ব এবং অপ্রধান দ্বন্দ্ব এ বিষয়ে ধারণা থাকা প্রয়োজন।

বাংলাদেশে বর্তমানে শাসক শ্রেনীর সাথে শোষিত শ্রেনী বা নিপীড়িত শ্রেনীর মধ্যে কোন দ্বন্দ্বটি মুখ্য রূপে রয়েছে?

এটা ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী বা সাম্রাজ্যবাদীর সাথে বাংলাদেশের নিপীড়িত জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্ব? নাকি মার্কিন(টিকফা ..) সাম্রাজ্যবাদের সাথে দেশের নিপীড়িত জনগণের মধ্যে দ্বন্দ্বটি সবথেকে বড়?

নাকি নিপীড়িত শোষিত জনগণের উপর গার্মেন্টস মালিক-সাম্রাজ্যবাদী শক্তিপক্ষের শোষন নিপীড়ন যা একই সাথে সাম্রাজ্যবাদী এবং একই সাথে সরাসরি নিপীড়িত জনগণের শ্রম-ঘামের উপর জুলুমদারী এই দ্বন্দ্বটিই মুখ্য?

আন্দোলন সংগ্রামে কর্মসূচি বা দাবিনামাও ঠিক করতে হয় মৌলিক দ্বন্দ্ব বা প্রধান দ্বন্দ্ব এবং অপ্রধান দ্বন্দ্ব বিষয়গুলোকে খেয়াল করে এটাই আমি জানি।

তাই ছোটোকরে এই মন্তব্য করলাম।

তবে এখানে প্রাসঙ্গিকভাবে এটাও বলে রাখা প্রয়োজন যে, যেকোনো বিষয়ের ক্ষেত্রেই অবস্থান-পরিস্থিতি প্রেক্ষাপট বা সময়কে  কিন্তু অতি অবশ্যইভাবে বিবেচনায় আনতে হয়।

ভারতের নেতৃত্বে রামপাল বিদ্যুতকেন্দ্র নির্মানের নামে সুন্দরবন ধ্বংসের যে চক্রান্ত তা রুখে দাড়ানোর জন্য তেল গ্যাস বিদ্যুত বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি যে লংমার্চ করছে তার প্রতি সংহতি জানিয়ে আমি এই ছোট মতামত মাত্র প্রদান করলাম।

Advertisement