‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর কথোপকথন’ বইয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর্যালোচনা

১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী যে সংগ্রাম তার প্রসংগ এই দেশের ইতিহাসের জন্য দিকনির্দেশক ও পথপ্রদর্শক একটি চেতনা এবং প্রাণবিন্দু। এই নয় মাসের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা নিশ্চিতভাবেই আগামী দিনগেুলোতে কমতে থাকবে না বরং বাড়তেই থাকবে।  এবং যতই দিন যাবে ততই ইতিহাসের এই ক্ষণগুলোর পর্যালোচনা করেই আগামীর ইতিহাস রচনাকারীদের পদক্ষেপ নিতে হবে। সুতরাং এই ইতিহাসের আলোচনা ও পর্যালোচনা অনিবার্যভাবেই ভবিষ্যতে প্রাসংগিক হয়ে উঠবে ক্রমে ক্রমে আরো আরো বেশি করে। ব্যক্তিগতভাবে এই ইতিহাসকে চেনার চেষ্টা করতে আমার খুবই ভাল লাগে।  স্কুল জীবনে থাকার সময় কোত্থেকে যেন আমি পেয়েছিলাম এম আর আখতার মুকুলের ... বিস্তারিত পড়ুন →

বিশ্বনাগরিক ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস। জার্মান লেখক, দার্শনিক, রাজনৈতিক বিষয়ে তাত্ত্বিক লেখক।সর্বোপরি তিনি এবং কার্ল মার্কস ছিলেন কীর্তিমান দুইজন বন্ধু, যাদের হাত ধরে জন্ম নিয়েছে সর্বহারা তথা দুনিয়ার তাবৎ শ্রমিক শ্রেনীর মুক্তির/সংগ্রামের দর্শন দ্বন্দ্বমূলক ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা মার্কসবাদ। এঙ্গেলসের জন্ম নভেম্বর, ১৮২০ প্রুশিয়া’র রাইন প্রদেশের বারমেন অঞ্চলে। প্রুশিয়ার এই এলাকা বর্তমানে জার্মানীর অধীনে ভুপারতেল নামে পরিচিত।এঙ্গেলসের মৃত্যু হয় ৭৪ বছর বয়সে ১৮৯৫ সালের ০৫ আগস্ট লন্ডনে। তার পিতার নাম এঙ্গেলস সিনিয়র।ছিলেন বারমেনের টেক্সটাইল শিল্পকারখানার একজন মালিক। বারমেনে বা ... বিস্তারিত পড়ুন →

অস্ত্রগুরু বুড়ো ওস্তাদকে স্মরণঃ তার জীবন যেন ইতিহাস বইয়ের একটি পাতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ একদা এক সুমহান স্বপ্ন পূরণের জন্য, অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সশস্ত্র সংগ্রাম করেছিল। সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করা ঠিক ছিলো বা বেঠিক ছিলো তা নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা পর্যালোচনা হলেও হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের ডাকে যে সকল যুব-ছাত্র-পরিণত বয়সের সাধারণ অগণিত জনতা সেই সশস্ত্র সংগ্রামের অগ্রযাত্রার পথিক হয়েছিল তারা তো এক আশার জন্য, এক নতুন দিনের স্বপ্ন পূরণের জন্যই সেখানে সশস্ত্র লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিল। নলিনী রঞ্জন চাকমাও ঠিক সেই মহান সুমহান আশা নিয়েই যোগ দিয়েছিলেন শান্তিবাহিনীতে। বাংলাদেশ সরকার এই সশস্ত্র সংগ্রামকে বিচ্ছিন্নতাবাদের আন্দোলন, ... বিস্তারিত পড়ুন →

নীতিকথা: মানুষ ও মানুষভেদে নীতি কৌশলের মধ্যে পার্থক্য

একবার এক যুবক তার দাদুকে প্রশ্ন করলো- দাদু, মানুষ ও মানুষ যে নীতি কৌশল ব্যবহার করে থাকে তার মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে? দাদু বললেন, নাতি, তুমি খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছ। প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে আমি খুশিই হবো। কিন্তু তার আগে বলো, আমাদের সামনে দিয়ে যে ঘোড়ার গাড়িটি গেল তাতে যে ঘোড়াটি বাধা রয়েছে তা দেখেছ কী রকম বলশালী? আর গাড়িটি দেখেছ, কতো সুন্দর করে তৈরী করা হয়েছে? ঘোড়ার গাড়িটি কার তুমি কি জান? নাতি বললো, হ্যাঁ, দাদু জানি, ঘোড়ার গাড়িটি আমাদের গ্রামেরই একজন ধনী সজ্জন ভদ্রলোকের। দাদু: ও! তাহলে ঘোড়ার গাড়িটিতে যিনি বসে আছেন তিনি বোধহয় সেই ভদ্রলোকই হবেন। নাতি: না দাদু, গাড়িতে যিনি বসে আছেন ... বিস্তারিত পড়ুন →

সমাজতান্ত্রিক চিলি গঠনের আন্দোলনের নেতা সালভাদর আলেন্দে

দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশের নাম চিলি। প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে লম্বা করে দেশটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত। সম্ভবত দেশটির মানচিত্র লম্বা বাঁকানো মরিচের মতো বলে দেশটির নাম হয়েছে ‘চিলি’, চিলি মানে ইংরেজি ভাষায় মরিচ। এই দেশের ২৯তম প্রেসিডেন্টের নাম সালভাদর আলেন্দে। পুরো নাম সালভাদর গিলারমো আলেন্দে গোসেনেস (Salvador Guillermo Allende Gessens)। জন্মঃ ১৯০৮ সালের ২৬ জুন চিলির শান্তিয়াগো শহরে। মৃত্যুঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের ফলে সামরিক ক্যুদেতা’য় ১১ সেপ্টেম্বর,১৯৭৩। মৃত্যুর সময় বয়স ৬৫ বছর। স্ত্রীর নাম হরতেনসিয়া বাস্সি(Hortensia Bussi). সন্তান সংখ্যা ৩। তিনি চিলি দেশকে সমাজতান্ত্রিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মাও সেতুঙ-এর লেখা থেকে: আমলাতন্ত্রের ২০ ধরণের প্রকাশ বৈশিষ্ট্য বা প্রকাশ প্রকরণ

  মিঠুন চাকমা তারিখ: ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ চীনের কম্যুনিস্ট পার্টি বা সিপিসি তার গঠনকাল থেকে মাও সেতুঙেৃর সময় পেরিয়ে গিয়ে এখনো পর্যৃন্ত চীন দেশে পরিচালনাকালে আনুষ্ঠানিকতাবাদ, আমলাতান্ত্রিকতা ও বিলাসিতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। মাও সেতুঙ এই তিন বিষয়ে পার্টিতে ব্যাপক আলোচনা করেছেন। তিনি পার্টির মধ্যে আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন লেখা লিখেছেন। তার মধ্যে ‘Combat Bureaucracy, Commandism And Violations Of The Law And Of Discipline (Selected Works of Mao TseTung;Vol. 5; Page-84-85) এবং ১৯৭০ সালে লিখিত ‘Twenty Manifestations of Bureaucracy’ অন্যতম। সাম্প্রতিককালে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে চীনা কম্যুনিস্ট পাটির রাজনৈতিক ব্যুরো এক মিটিঙে ৮ টি শৃংখলামূলক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মিয়ানমারের কাচিন ভাষার প্রথম পত্রিকা ‘জিংপো টাইমস’

মিয়ানমার বা বার্মার একটি রাজ্যের নাম কাচিন ল্যান্ড। সেই রাজ্যের প্রধান জাতিসত্তার নাম কাচিন। তবে তারা নিজেদের বলেন জিংপো। চীনে এই জাতিসত্তার লোকজন বসবাস করছেন। সেখানে তাদের পরিচয় ‘শিংপো’ হিসেবে। এছাড়া ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের অরুনাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় এই জাতিসত্তার লোকজন রয়েছে। মিয়ানমারে কাচিন বা জিংপো জাতির লোকজনের সংখ্যা প্রায় ১০/১১ লাখ। পৃথিবীতে সবমিলে কাচিন বা জিংপো বা শিংপো জাতির জনসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। জিংপো বা কাচিন ভাষার প্রথম প্রকাশিত পত্রিকার নাম Jinghpaw Prat or Jinghpaw Times। ১৯৫৮ সালে এই প্রত্রিকাটি মিয়ানমারের রাজধানী রেংগুন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ছিলো সাপ্তাহিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের জুম্মদের অসামাজিক আচরণ!

ইন্টারনেট বা অন্তর্জাল বা ডিজিটাল মাধ্যম যেভাবেই এই বর্তমান আধুনিক তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অভিহিত করে থাকি, এটা বলা সংগত ও বাস্তবসম্মত যে, এই ইনফরমেশন টেকনোলজি আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জাতীয় সত্ত্বার অন্তর্ভুক্ত একটি বিশাল সংখ্যাবহুল অংশকে নানাভাবে ওতপ্রোতভাবে প্রভাবিত করেছে। এই মাধ্যমটির কল্যাণেই আজ আমরা আমাদের ক্ষীণমাত্রার চেঁচামেচি বা চিৎকার বা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইকে বেশ বৃহৎ এক পরিসরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। বিশেষভাবে বৃহত্তর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আমাদের সেই সুযোগটি হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও বিষাদগ্রস্ততার ... বিস্তারিত পড়ুন →

দেশপ্রেম বদমায়েশীর শেষ আশ্রয়

স্যামুয়েল জনসন নামে এক ব্যক্তি খুব জুতসই একটি কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন- Patriotism is the last refuge of a scoundrel(লিংক). আরো লিংক। এই উদ্ধৃতির বাংলা করলে দাঁড়ায়- দেশপ্রেম হলো একজন বদমায়েশের শেষ আশ্রয়। এই ‘বদমায়েশী’ বেশ বোঝা যেতো কয়েকবছর আগে, যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অনেকে লেখালেখি করতেন,বলতেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্ন করার চক্রান্ত চলছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী’ যা করছে সব ভালোই করছে, এই কথাটি বলে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রেখে দিতেন। এখন তারা তেমন জোরে কথা না বললেও তার ভুত যে দেশের প্রশাসনযন্ত্রের মধ্যে রয়েছে তা নানাভাবে উপলব্ধি করা ... বিস্তারিত পড়ুন →

বিদ্যুত বিড়ম্বনা,পরিকল্পনাহীন বিদ্যুতায়ন ও রাজধানি কেন্দ্রীক চিন্তা-পরিকল্পনা

বিদ্যুত তথা সোজা কথায় কারেন্ট এখন আধুনিক সমাজ জীবনের অপরিহার্য একটি উপাদান। বিদ্যুত না থাকলে নাগরিক জীবনে বর্ণনাতীতভাবে দুর্ভোগের শিকার হতে হয় এটা সবার জানা। খাগড়াছড়ির জেলা শহরের মতো মফস্বল শহরে বেশ কয়েকমাস হলো বিদ্যুতে বিভ্রাট চরমে পৌঁছেছে। আর বিদ্যুত বিভ্রাটকে যেন খাগড়াছড়িবাসী স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেছেন! বেশ কয়েকদিন হলো দিনের দুই তিন ঘন্টা বাদে বাকি সারাদিন এবং রাত শহরে বিদ্যুত থাকে না। কিন্তু এ নিয়ে শহরবাসীর গা সওয়া হওয়ায় কোনো বাদ প্রতিবাদ যেন নেই। সামান্য দুয়েকটা ফেবু স্ট্যাটাস ব্যতীত এ বিষয়ে উচ্চবাচ্য করতেও দেখা মেলা ভার। কেন এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে ... বিস্তারিত পড়ুন →