‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর কথোপকথন’ বইয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর্যালোচনা

১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী যে সংগ্রাম তার প্রসংগ এই দেশের ইতিহাসের জন্য দিকনির্দেশক ও পথপ্রদর্শক একটি চেতনা এবং প্রাণবিন্দু। এই নয় মাসের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা নিশ্চিতভাবেই আগামী দিনগেুলোতে কমতে থাকবে না বরং বাড়তেই থাকবে।  এবং যতই দিন যাবে ততই ইতিহাসের এই ক্ষণগুলোর পর্যালোচনা করেই আগামীর ইতিহাস রচনাকারীদের পদক্ষেপ নিতে হবে। সুতরাং এই ইতিহাসের আলোচনা ও পর্যালোচনা অনিবার্যভাবেই ভবিষ্যতে প্রাসংগিক হয়ে উঠবে ক্রমে ক্রমে আরো আরো বেশি করে। ব্যক্তিগতভাবে এই ইতিহাসকে চেনার চেষ্টা করতে আমার খুবই ভাল লাগে।  স্কুল জীবনে থাকার সময় কোত্থেকে যেন আমি পেয়েছিলাম এম আর আখতার মুকুলের ... বিস্তারিত পড়ুন →

লেখকদের উপর হামলা ও হত্যা বিষয়ে ফেসবুকে লিখিত ব্যক্তিগত মতসমূহ

৩১ অক্টোবর,২০১৫ ঢাকায় লেখক-প্রকাশকদের উপর হামলায় তিনজন মারাত্মকভাবে আহত হয় ও ফয়সার আরেফিন দীপন মারা যায়। এ বিষয়ে আমি ফেসবুকে যে মন্তব্য করি তা নিচে তুলে ধরলাম। মন্তব্য-১ তারিখ: ৩১ অক্টোবর, ২০১৫ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের ছেলে জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপন খুন হয়েছেন। তার আগে লালমাটিয়া/মোহাম্মদপুরে শুদ্ধস্বর প্রকাশনার স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশিদ টুটুলসহ লেখক রণদীপম বসু ও কবি তারেক রহিমকে গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাদের আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। একইদিনে পরপর ... বিস্তারিত পড়ুন →

অস্ত্রগুরু বুড়ো ওস্তাদকে স্মরণঃ তার জীবন যেন ইতিহাস বইয়ের একটি পাতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ একদা এক সুমহান স্বপ্ন পূরণের জন্য, অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সশস্ত্র সংগ্রাম করেছিল। সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করা ঠিক ছিলো বা বেঠিক ছিলো তা নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা পর্যালোচনা হলেও হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের ডাকে যে সকল যুব-ছাত্র-পরিণত বয়সের সাধারণ অগণিত জনতা সেই সশস্ত্র সংগ্রামের অগ্রযাত্রার পথিক হয়েছিল তারা তো এক আশার জন্য, এক নতুন দিনের স্বপ্ন পূরণের জন্যই সেখানে সশস্ত্র লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিল। নলিনী রঞ্জন চাকমাও ঠিক সেই মহান সুমহান আশা নিয়েই যোগ দিয়েছিলেন শান্তিবাহিনীতে। বাংলাদেশ সরকার এই সশস্ত্র সংগ্রামকে বিচ্ছিন্নতাবাদের আন্দোলন, ... বিস্তারিত পড়ুন →

সমাজতান্ত্রিক চিলি গঠনের আন্দোলনের নেতা সালভাদর আলেন্দে

দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশের নাম চিলি। প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে লম্বা করে দেশটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত। সম্ভবত দেশটির মানচিত্র লম্বা বাঁকানো মরিচের মতো বলে দেশটির নাম হয়েছে ‘চিলি’, চিলি মানে ইংরেজি ভাষায় মরিচ। এই দেশের ২৯তম প্রেসিডেন্টের নাম সালভাদর আলেন্দে। পুরো নাম সালভাদর গিলারমো আলেন্দে গোসেনেস (Salvador Guillermo Allende Gessens)। জন্মঃ ১৯০৮ সালের ২৬ জুন চিলির শান্তিয়াগো শহরে। মৃত্যুঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের ফলে সামরিক ক্যুদেতা’য় ১১ সেপ্টেম্বর,১৯৭৩। মৃত্যুর সময় বয়স ৬৫ বছর। স্ত্রীর নাম হরতেনসিয়া বাস্সি(Hortensia Bussi). সন্তান সংখ্যা ৩। তিনি চিলি দেশকে সমাজতান্ত্রিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মাও সেতুঙ-এর লেখা থেকে: আমলাতন্ত্রের ২০ ধরণের প্রকাশ বৈশিষ্ট্য বা প্রকাশ প্রকরণ

  মিঠুন চাকমা তারিখ: ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ চীনের কম্যুনিস্ট পার্টি বা সিপিসি তার গঠনকাল থেকে মাও সেতুঙেৃর সময় পেরিয়ে গিয়ে এখনো পর্যৃন্ত চীন দেশে পরিচালনাকালে আনুষ্ঠানিকতাবাদ, আমলাতান্ত্রিকতা ও বিলাসিতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। মাও সেতুঙ এই তিন বিষয়ে পার্টিতে ব্যাপক আলোচনা করেছেন। তিনি পার্টির মধ্যে আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন লেখা লিখেছেন। তার মধ্যে ‘Combat Bureaucracy, Commandism And Violations Of The Law And Of Discipline (Selected Works of Mao TseTung;Vol. 5; Page-84-85) এবং ১৯৭০ সালে লিখিত ‘Twenty Manifestations of Bureaucracy’ অন্যতম। সাম্প্রতিককালে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে চীনা কম্যুনিস্ট পাটির রাজনৈতিক ব্যুরো এক মিটিঙে ৮ টি শৃংখলামূলক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মিয়ানমারের কাচিন ভাষার প্রথম পত্রিকা ‘জিংপো টাইমস’

মিয়ানমার বা বার্মার একটি রাজ্যের নাম কাচিন ল্যান্ড। সেই রাজ্যের প্রধান জাতিসত্তার নাম কাচিন। তবে তারা নিজেদের বলেন জিংপো। চীনে এই জাতিসত্তার লোকজন বসবাস করছেন। সেখানে তাদের পরিচয় ‘শিংপো’ হিসেবে। এছাড়া ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের অরুনাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় এই জাতিসত্তার লোকজন রয়েছে। মিয়ানমারে কাচিন বা জিংপো জাতির লোকজনের সংখ্যা প্রায় ১০/১১ লাখ। পৃথিবীতে সবমিলে কাচিন বা জিংপো বা শিংপো জাতির জনসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। জিংপো বা কাচিন ভাষার প্রথম প্রকাশিত পত্রিকার নাম Jinghpaw Prat or Jinghpaw Times। ১৯৫৮ সালে এই প্রত্রিকাটি মিয়ানমারের রাজধানী রেংগুন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ছিলো সাপ্তাহিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

পার্বত্য চট্টগ্রামে কাউন্টার ইন্সারজনেন্সি অপারশেন চলছে?

অবস্থাদৃষ্টে বা দেখেশুনে মনে হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামে কাউন্টার ইন্সারজেন্সি অপারেশন জারি আছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ মাধ্যমে বা প্রকাশ্যে কোনো ধরণের অধ্যাদেশ বা বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন ওয়েবসাইটে(afd.gov.bd)  বলা হয়েছে সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে কাউন্টার ইন্সারজেন্সি অপারেশন কার্যক্রম চালাচ্ছে। আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন হলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী এই তিন বাহিনীর মিলিত ফোর্স, যা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয়। কিন্তু আমরা জানিনা দেশের ... বিস্তারিত পড়ুন →

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের জুম্মদের অসামাজিক আচরণ!

ইন্টারনেট বা অন্তর্জাল বা ডিজিটাল মাধ্যম যেভাবেই এই বর্তমান আধুনিক তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অভিহিত করে থাকি, এটা বলা সংগত ও বাস্তবসম্মত যে, এই ইনফরমেশন টেকনোলজি আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জাতীয় সত্ত্বার অন্তর্ভুক্ত একটি বিশাল সংখ্যাবহুল অংশকে নানাভাবে ওতপ্রোতভাবে প্রভাবিত করেছে। এই মাধ্যমটির কল্যাণেই আজ আমরা আমাদের ক্ষীণমাত্রার চেঁচামেচি বা চিৎকার বা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইকে বেশ বৃহৎ এক পরিসরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। বিশেষভাবে বৃহত্তর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আমাদের সেই সুযোগটি হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও বিষাদগ্রস্ততার ... বিস্তারিত পড়ুন →

রাজনীতির চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়েই থাই!

রাজনীতির চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়ে থাই! রাজনীতির চিদে, হিলঅর চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়েই থাই! চিদে গুরিবার ন চ্যালেও চিদেআনি সুমি থাই, চিদঅত ফুদে দি জাই! কধা এলঅ একবজর সঙ এজেত্তে নভেম্বর,২০১৫ সঙ ফেসবুকঅত রাজনীতির লেঘালেঘি ন গুরিম! হালিক এগ্গান মন্তব্য হুব গুরিবার পরানে কঅর! সিআন অহলঅদে- আমা রাজনীতির ঘরআনঅত ভ্যান্টিলেটর বা ভাব জেবার নল/কানা/ফাইপ নেই! নেই কিনে বানা পজা বাচ বাইর অহয়, বিশেচগুরি ফেসবুকঅত! বেগঅর মনঅত থেবঅ, হাগারাসুরিত বেচ হিজুদিন আগে টয়লেট-অ গাদ-অত পুরিনেই পোল্লেম ৩ জন, তারপরে ২ জন গুরি মোট ৫ জন মানুচ মুজ্জোন। কেউ কি তোলেই চিওন এঞ্জান ঘদনা হিত্তেই উইয়ে? টয়লেট-অ গাত বানাদেও ... বিস্তারিত পড়ুন →

লিখে রেখো সাজেক একফোঁটা দিলেম শিশির!

সাজেক বা গঙ্গারাম এলাকা থেকে চলে এসেছি তিন মাসের অধিক হয়ে গেল। সেখানে থাকার সময় যে কাজটি করে সবচেয়ে বেশি মানসিক শান্তি পেয়েছি তা হলো, গঙ্গারাম-কাজালঙ নদীতে ১২ হাজারের মতো বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছেড়ে দেয়ার কাজটি করে। ইউপিডিএফ সাজেক ইউনিটের পক্ষ থেকে মাছের পোনা ছেড়ে দেয়ার কাজটি করা হয়। দেখুন cht24.com লিঙ্ক মাছের ছোট্টো ছোট্টো পোনাগুলো যখন মুক্তি পেয়ে হঠাৎ ছোট্টো নদীর স্রোতের মধ্যে উধাও হয়ে হারিয়ে গিয়েছিল, তখন মনের যে স্বস্তি ও শান্তি লাভ করেছিলাম তা আজও আমাকে তৃপ্ত করে, স্বস্তি দেয়, আমি আনন্দলাভ করি, পুলকবোধ করি! না, কোনো রকমের ধর্মীয় বোধ থেকে এইপুলকলাভ, শান্তি বা স্বস্তি ... বিস্তারিত পড়ুন →