বিশ্বনাগরিক ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস। জার্মান লেখক, দার্শনিক, রাজনৈতিক বিষয়ে তাত্ত্বিক লেখক।সর্বোপরি তিনি এবং কার্ল মার্কস ছিলেন কীর্তিমান দুইজন বন্ধু, যাদের হাত ধরে জন্ম নিয়েছে সর্বহারা তথা দুনিয়ার তাবৎ শ্রমিক শ্রেনীর মুক্তির/সংগ্রামের দর্শন দ্বন্দ্বমূলক ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা মার্কসবাদ। এঙ্গেলসের জন্ম নভেম্বর, ১৮২০ প্রুশিয়া’র রাইন প্রদেশের বারমেন অঞ্চলে। প্রুশিয়ার এই এলাকা বর্তমানে জার্মানীর অধীনে ভুপারতেল নামে পরিচিত।এঙ্গেলসের মৃত্যু হয় ৭৪ বছর বয়সে ১৮৯৫ সালের ০৫ আগস্ট লন্ডনে। তার পিতার নাম এঙ্গেলস সিনিয়র।ছিলেন বারমেনের টেক্সটাইল শিল্পকারখানার একজন মালিক। বারমেনে বা ... বিস্তারিত পড়ুন →

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সাক্ষাতকার পড়ার পর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য

বিডিনিউজ২৪.কম এর সাহিত্য সংক্রান্ত পাতা থেকে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর এক সাক্ষাতকার নেয়া হয়। সাক্ষাতকারটি নিয়েছেন রাজু আলাউদ্দিন। দীর্ঘ এই সাক্ষাতকারটি পড়ে আমার বিভিন্ন বিষয়ে অ্নেক ধারণা অর্জন সম্ভব হয়েছে। সাক্ষাতকারটির একটি বিষয় নিয়ে আমার একটু মতামত দেয়ার ইচ্ছে হয় এবং তা বিডিনিউজ২৪.কম এর সাহিত্য পাতার কমেন্ট অংশে লিখি। উক্ত মন্তব্যটি নিচে তুলে ধরলাম- তাঁর সাক্ষাতকারে তিনি হুমায়ুন আজাদ সম্পর্কে বলছেন, “হুমায়ুনের একটি অসাধারণ গুন ছিল, হুমায়ুন ছিল অসাধারণ পরিশ্রমী, এই রকম পরিশ্রমী খুব কম দেখেছি। আমার সাথে তার খুবই ... বিস্তারিত পড়ুন →

জ্ঞানী বুদ্ধের শিক্ষা-আচার সর্বস্ব কঠোর সাধনা নয়, নীতি নৈতিকতাপূর্ণ জীবন যাপনই প্রধান

ধ্যানী জ্ঞানী বুদ্ধ একসময় উজুন্যা বা উজুনজার কন্নকথল হরিণচারণ বনে অবস্থান করছিলেন। তাঁর সাথে দেখা করতে আসলেন নির্গন্থ তথা নগ্ন এক সন্যাসী। সন্যাসী ধ্যানী জ্ঞানী বুদ্ধকে প্রশ্ন করলেন, ভদন্ত গৌতম! আমি শুনেছি আপনি কঠোর তপস্যার নিন্দাবাদ করেন, তাদের তিরস্কার করেনম অপবাদ দেন। তাদের কথা কি ঠিক নাকি বেঠিক? জ্ঞানী বুদ্ধ সানন্দে সমালোচনা গ্রহণ করতেন তখন বুদ্ধ সমালোচনাপূর্ণ বক্তব্য সানন্দে গ্রহণ করে বললেন, এ কথাটি সত্য নয়। তিনি বললেন, প্রজ্ঞাপূর্ণ চোখে এটা দেখা যায়, কোনো কোনো কঠোর সাধনাকারী মরণের পরে দুর্গতিপ্রাপ্ত হয়েছেন। আর কোনো কোনো কঠোর সাধানাকারী তপস্বী মরণের পরে ... বিস্তারিত পড়ুন →

রণজিৎ দেবানঅর ইন্টারভিউ- যা যা যা উড়ি যা, ও মন সার‌ল্যা চীললো

ইউটিউবঅত রণজিৎ দেবানঅর সাক্ষাতকার লোইনেই এ লেঘাআন লেঘা উইয়্যে- রনজিৎ দেবান, হিল চাদিগাঙঅর আধুনিক গানঅর পোল্লেম শিল্পী ক’লেও কোআ জাই। তা গানউনোত জেনজান গুরি জাত-সমাজঅর প্রতি কোচপানাহ কধা ইচ্চে সেনজানগুরি কনঅ হুব কম গানঅত সিআনি  এ ন পারে। তারে লোইনেই তা ইন্টারভিউ লোইনেই ইউটিউবঅত এগ্গো ডকুমেন্টারি আঘে। সিআন ইচ্চে ০৯ মে , ২০১৫ ইং চেলুঙ। চেইনেই গম লাগিলঅ। সে গম লাগানার কধা ব্লগঅত লিঘি রাঘাঙর। ২০১৩ সালঅর ২৩ সেপ্তম্বর অত ইউটিউবঅত তা ইন্টারভিউআন ফগদাঙ গরা উইএ। রাঙাবেল মিডিয়া নাঙে এগ্গো মিডিয়া গোষ্ঠীত্তুন ফগদাঙ গরা উইএ। নির্দেশনা বা ডিরেকশন দিএ ইজেবে জারা নাঙ আঘে তারা ... বিস্তারিত পড়ুন →

জন স্টুয়ার্ট মিল

জন স্টুয়ার্ট মিল(১৮০৬-১৮৭৩) একজন দার্শনিক, রাজনীতিক এবং সর্বোপরি বলা হয়ে থাকে ঊনিশ শতকের সবচেয়ে প্রভাবশালী ইংরেজীভাষী দার্শনিক। তিনি দর্শন, জ্ঞানতত্ত্ব, অর্থনীতি, সমাজ ও রাজনীতি, নৈতিকতা, ধর্ম, নারী অধিকার ইত্যাদি বিষয়ে লেখা লিখেছেন। তার গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের মধ্যে A System of Logic, On Liberty, and Utilitarianism উল্লেখযোগ্য। জন স্টুয়ার্ট মিলের পিতার নাম জেমস মিল(James Mill)। তিনি একজন স্কটিশ। জন বিয়ে করেন হেরিয়েট বারো(Harriet Barrow) নামে একজনকে। জেমস মিল History of British India(1818) নামে একটি বই লেখেন। তিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীতে চীফ এক্সামাইনার হিসেবে চাকুরি করেন। জেমস মিল ১৮০৮ সালের দিকে জেরেমি বেন্থামের সাথে পরিচিত হলে ... বিস্তারিত পড়ুন →

লি কুয়ান ইয়ু- দায়বোধ সম্পন্ন, কর্তৃত্ববাদী স্বপ্নছোঁয়া একজন

 সিঙ্গাপুর নামে এক ছোট দ্বীপখন্ড বেশ কয়েক দশক আগেও এই দ্বীপখন্ড ছিলো জেলেদের মাছ ধরার এক জনপদ। ১৮১৯ সালে ব্রিটিশরাজ এই অঞ্চলকে ব্যবসায়িক কলোনী হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আয়তন ৭১৬ বর্গকিলোমিটারের(২৭৭ বর্গমাইল) কিছু বেশি। জনসংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৫৫ লাখের মতো।জনপদে বসবাস করছেন মালয়ী-তামিল-চীনা এই তিন জাতির জনগণ। তবে প্রাপ্ত এক ডাটায় দেখা যায় সিঙ্গাপুরের মোট শ্রমশক্তির ৪৪ ভাগই বর্তমানে অন্য দেশ বা জাতি থেকে আগত। ১৯৪২ সালের দিকে জাপান এই অঞ্চল ব্রিটিশরাজ থেকে দখলে নেয়। ১৯৪৫ সালে জাপানের কাছ থেকে আবার তা ব্রিটিশদের হাতে চলে আসে। ১৯৫৫ সালে সিঙ্গাপুরকে ... বিস্তারিত পড়ুন →

বাঙ চোঙ-হোনঃ কোরিয়ায় শিশুদের আত্মমর্যাদা শেখাতে যিনি আন্দোলন করেছিলেন

কোরিয়া শিশু দিবস পালন করা হয় প্রতি বছরের মে মাসের ৫ তারিখ। এই শিশুদিবস পালনের ইতিহাসে রয়েছে শিশুপ্রিয় এক ব্যক্তির নাম। তার নাম বাঙ চোঙ-হোন ইংরেজিতে Bang Jeong-hwan। কোরিয়ার এই শিশুদিবস পালনের পেছনে রয়েছে লড়াইয়ের ইতিহাস, অধিকার পাবার জন্য হাঁসফাঁসের ইতিহাস। কোরিয়া জাপানের কাছ থেকে পদানত হয় ১৯১০ সালে।  তখন কোরিয়ায় দুর্যোগের কাল যাচ্ছে। কোরিয়ার স্বাধীনতাকামীরা চেষ্টা করছে কোরিয়াকে জাপানের নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আনতে। বাঙ চোঙ-হোনের বয়স তখন ১১ অথবা ১২ বছর। ১৮৯৯ সালে তিনি জন্মেছিলেন। তাদের পরিবার চার প্রজন্ম ধরে সুখে শান্তিতে একই স্থানে বসবাস করছিলো। তারা ছিলেন বনেদি ব্যবসায়ী। ... বিস্তারিত পড়ুন →

শহীদ রূপক চাকমাকে স্মরণ করছি, তাকে জানাই সশ্রদ্ধ লাল সালাম!

(এক বছর আগের লেখা শেয়ার করলাম- মিঠুন চাকমা) (এক) [ শহীদ রূপক চাকমা। আমার কাছে এক আবেগের নাম, সম্মানের সাথে স্মরণ করার জন্য একটি নাম। ছোটোকালে তাকে দেখেছি। কিছুদিন আমাদের পরিবার নারাঙহিয়া অনন্ত মাস্টার পাড়ায় থাকার সময় তাঁর সাথে পরিচয়। একসাথে  ‘নাধেঙ(লাঠিম)’ খেলেছি। তিনি আমাদের সিনিয়র। পরে সেখান থেকে চলে গেলে তাঁকে অনেকদিন দেখিনি। তারপর ভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর তাঁর সাথে দেখা। তখন তো তিনি সংগঠনের একনিষ্ঠ কর্মী এবং নেতা। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হয়েছিলেন। যখন বক্তব্য রাখতেন তখন আত্মবিশ্বাস নিয়ে বক্তব্য রাখতেন। যুক্তি তুলে ধরতেন ধারালোভাবে। ২০০১ সালের ... বিস্তারিত পড়ুন →

তাজউদ্দীন আহমদ সম্পর্কে – সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

 ( ইস্টিশন নামক এক ব্লগ প্লাটফরমে সাম্যবাদী নামক এক ব্লগার সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী’র এই লেখাটি পোস্ট করেন। লেখাটি পড়ার পরে আমার মনে হয়েছে আরো অনেকের কাছে লেখাটির বক্তব্য যাওয়া দরকার। তাই নিজের ব্লগে লেখাটি কপিপেস্ট করে শেয়ার করলাম। সাম্যবাদী ব্লগারের প্রতি কৃতজ্ঞতা রইল। ধন্যবাদ। মিঠুন চাকমা) [ শুরুর কথা : ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ শনিবার, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে ‘তাজউদ্দীন আহমদের রাজনৈতিক জীবন’ শীর্ষক এক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়। তাজউদ্দীন আহমদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ডের সহযোগিতায় এই আয়োজন করে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। বক্তৃতা দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরিটাস ... বিস্তারিত পড়ুন →

মাও সেতুঙ, তার জীবন এবং চীন বিপ্লব

মাও সেতুঙের প্রথম জীবন মাও সেতুঙ বা মাও জে ডঙ হলেন নয়া চীনের প্রতিষ্ঠাতা। চীনের কম্যুনিস্ট বিপ্লব তার নেতৃত্বে সংগঠিত হয়। তার জন্ম ১৮৯৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর মধ্য চীনের হুনান প্রদেশের শাওশাঙ বা শাওশান জেলার শাউশাঙচুঙ নামে এক গ্রামে। তার পিতা ছিলেন একজন কৃষক। পরিশ্রম করে তার পিতা মোটামুটি অবস্থাপন্ন এক কৃষকে পরিণত হন। মাওয়ের পিতার নাম মাও ইয়্যাচেঙ(Mao Yichang)। মায়ের নাম ওয়েন কুইমেই(Wen Qimei)। মাওসেতুঙের পিতা তার ছেলেকে ছোটোকাল থেকেই  চাষের কাজে নিয়োগ করেছিলেন। লেখাপড়ার ফাকে ফাকে তাকে চাষের কাজে সময় দিতে হতো। ৮ বছর বয়সে মাও সেতুঙ গ্রামের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। সেখানে ... বিস্তারিত পড়ুন →