’ভিন্নখাতে প্রবাহিত’ ও আপন অন্তর্জালীয় মতামত

তিন তারিখের ফেব্রুয়ারি ২০১৭। খাগড়াছড়িতে প্রয়াত শ্রদ্ধেয় চন্দ্রমণি মহাস্থবিরের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ দাহক্রিয়া অনুষ্ঠানের জন্য পূন্যার্থীদের মেলা বসেছিল মাটিরাঙ্গা ও খাগড়াছড়ির সীমান্তবর্তী চট্টগ্রাম-খাগড়ছড়ি সড়কের পাশে অবস্থিত একটি বৌদ্ধ বিহারে।  অনুষ্ঠানে সমবেত হয়েছিল আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা হাজার হাজার জনতা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উৎসবের পরিবেশও ছিল অনুষ্ঠান প্রাঙ্গনে। সাধারণভাবে বৌদ্ধ ধর্মীয় মতে কোন উপসম্পদা প্রাপ্ত ভিক্ষু স্বাভাবিকভাবে পরিণত বয়সে মারা গেলে মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে শোক প্রকাশ না করে তার সদগতি যে লাভ হয় তার জন্য ধর্মীয় বিধানমতে শ্রাদ্ধক্রিয়াসহ ... বিস্তারিত পড়ুন →

‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর কথোপকথন’ বইয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর্যালোচনা

১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী যে সংগ্রাম তার প্রসংগ এই দেশের ইতিহাসের জন্য দিকনির্দেশক ও পথপ্রদর্শক একটি চেতনা এবং প্রাণবিন্দু। এই নয় মাসের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা নিশ্চিতভাবেই আগামী দিনগেুলোতে কমতে থাকবে না বরং বাড়তেই থাকবে।  এবং যতই দিন যাবে ততই ইতিহাসের এই ক্ষণগুলোর পর্যালোচনা করেই আগামীর ইতিহাস রচনাকারীদের পদক্ষেপ নিতে হবে। সুতরাং এই ইতিহাসের আলোচনা ও পর্যালোচনা অনিবার্যভাবেই ভবিষ্যতে প্রাসংগিক হয়ে উঠবে ক্রমে ক্রমে আরো আরো বেশি করে। ব্যক্তিগতভাবে এই ইতিহাসকে চেনার চেষ্টা করতে আমার খুবই ভাল লাগে।  স্কুল জীবনে থাকার সময় কোত্থেকে যেন আমি পেয়েছিলাম এম আর আখতার মুকুলের ... বিস্তারিত পড়ুন →

ঢাকায় তিন সংগঠনের সমাবেশে প্রদত্ত বক্তব্য

১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন সংগঠন ঢাকায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা পাদদেশে। সেখানে তিন সংগঠনের(পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল উইমেন্স ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম) নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জাতীয় ছাত্র-নারী ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। উক্ত সমাবেশে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)এর প্রতিনিধি হিসেবে আমি বক্তব্য প্রদান করি। বহুদিন পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য দিলাম। যখন ছাত্র সংগঠনে ছিলাম তখন মাঝে ... বিস্তারিত পড়ুন →

বিশ্বনাগরিক ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস

ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস। জার্মান লেখক, দার্শনিক, রাজনৈতিক বিষয়ে তাত্ত্বিক লেখক।সর্বোপরি তিনি এবং কার্ল মার্কস ছিলেন কীর্তিমান দুইজন বন্ধু, যাদের হাত ধরে জন্ম নিয়েছে সর্বহারা তথা দুনিয়ার তাবৎ শ্রমিক শ্রেনীর মুক্তির/সংগ্রামের দর্শন দ্বন্দ্বমূলক ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা মার্কসবাদ। এঙ্গেলসের জন্ম নভেম্বর, ১৮২০ প্রুশিয়া’র রাইন প্রদেশের বারমেন অঞ্চলে। প্রুশিয়ার এই এলাকা বর্তমানে জার্মানীর অধীনে ভুপারতেল নামে পরিচিত।এঙ্গেলসের মৃত্যু হয় ৭৪ বছর বয়সে ১৮৯৫ সালের ০৫ আগস্ট লন্ডনে। তার পিতার নাম এঙ্গেলস সিনিয়র।ছিলেন বারমেনের টেক্সটাইল শিল্পকারখানার একজন মালিক। বারমেনে বা ... বিস্তারিত পড়ুন →

লেখকদের উপর হামলা ও হত্যা বিষয়ে ফেসবুকে লিখিত ব্যক্তিগত মতসমূহ

৩১ অক্টোবর,২০১৫ ঢাকায় লেখক-প্রকাশকদের উপর হামলায় তিনজন মারাত্মকভাবে আহত হয় ও ফয়সার আরেফিন দীপন মারা যায়। এ বিষয়ে আমি ফেসবুকে যে মন্তব্য করি তা নিচে তুলে ধরলাম। মন্তব্য-১ তারিখ: ৩১ অক্টোবর, ২০১৫ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের ছেলে জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপন খুন হয়েছেন। তার আগে লালমাটিয়া/মোহাম্মদপুরে শুদ্ধস্বর প্রকাশনার স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশিদ টুটুলসহ লেখক রণদীপম বসু ও কবি তারেক রহিমকে গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাদের আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। একইদিনে পরপর ... বিস্তারিত পড়ুন →

অস্ত্রগুরু বুড়ো ওস্তাদকে স্মরণঃ তার জীবন যেন ইতিহাস বইয়ের একটি পাতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ একদা এক সুমহান স্বপ্ন পূরণের জন্য, অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সশস্ত্র সংগ্রাম করেছিল। সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করা ঠিক ছিলো বা বেঠিক ছিলো তা নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা পর্যালোচনা হলেও হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের ডাকে যে সকল যুব-ছাত্র-পরিণত বয়সের সাধারণ অগণিত জনতা সেই সশস্ত্র সংগ্রামের অগ্রযাত্রার পথিক হয়েছিল তারা তো এক আশার জন্য, এক নতুন দিনের স্বপ্ন পূরণের জন্যই সেখানে সশস্ত্র লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিল। নলিনী রঞ্জন চাকমাও ঠিক সেই মহান সুমহান আশা নিয়েই যোগ দিয়েছিলেন শান্তিবাহিনীতে। বাংলাদেশ সরকার এই সশস্ত্র সংগ্রামকে বিচ্ছিন্নতাবাদের আন্দোলন, ... বিস্তারিত পড়ুন →

সমাজতান্ত্রিক চিলি গঠনের আন্দোলনের নেতা সালভাদর আলেন্দে

দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশের নাম চিলি। প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে লম্বা করে দেশটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত। সম্ভবত দেশটির মানচিত্র লম্বা বাঁকানো মরিচের মতো বলে দেশটির নাম হয়েছে ‘চিলি’, চিলি মানে ইংরেজি ভাষায় মরিচ। এই দেশের ২৯তম প্রেসিডেন্টের নাম সালভাদর আলেন্দে। পুরো নাম সালভাদর গিলারমো আলেন্দে গোসেনেস (Salvador Guillermo Allende Gessens)। জন্মঃ ১৯০৮ সালের ২৬ জুন চিলির শান্তিয়াগো শহরে। মৃত্যুঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের ফলে সামরিক ক্যুদেতা’য় ১১ সেপ্টেম্বর,১৯৭৩। মৃত্যুর সময় বয়স ৬৫ বছর। স্ত্রীর নাম হরতেনসিয়া বাস্সি(Hortensia Bussi). সন্তান সংখ্যা ৩। তিনি চিলি দেশকে সমাজতান্ত্রিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মাও সেতুঙ-এর লেখা থেকে: আমলাতন্ত্রের ২০ ধরণের প্রকাশ বৈশিষ্ট্য বা প্রকাশ প্রকরণ

  মিঠুন চাকমা তারিখ: ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ চীনের কম্যুনিস্ট পার্টি বা সিপিসি তার গঠনকাল থেকে মাও সেতুঙেৃর সময় পেরিয়ে গিয়ে এখনো পর্যৃন্ত চীন দেশে পরিচালনাকালে আনুষ্ঠানিকতাবাদ, আমলাতান্ত্রিকতা ও বিলাসিতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। মাও সেতুঙ এই তিন বিষয়ে পার্টিতে ব্যাপক আলোচনা করেছেন। তিনি পার্টির মধ্যে আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন লেখা লিখেছেন। তার মধ্যে ‘Combat Bureaucracy, Commandism And Violations Of The Law And Of Discipline (Selected Works of Mao TseTung;Vol. 5; Page-84-85) এবং ১৯৭০ সালে লিখিত ‘Twenty Manifestations of Bureaucracy’ অন্যতম। সাম্প্রতিককালে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে চীনা কম্যুনিস্ট পাটির রাজনৈতিক ব্যুরো এক মিটিঙে ৮ টি শৃংখলামূলক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মিয়ানমারের কাচিন ভাষার প্রথম পত্রিকা ‘জিংপো টাইমস’

মিয়ানমার বা বার্মার একটি রাজ্যের নাম কাচিন ল্যান্ড। সেই রাজ্যের প্রধান জাতিসত্তার নাম কাচিন। তবে তারা নিজেদের বলেন জিংপো। চীনে এই জাতিসত্তার লোকজন বসবাস করছেন। সেখানে তাদের পরিচয় ‘শিংপো’ হিসেবে। এছাড়া ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের অরুনাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় এই জাতিসত্তার লোকজন রয়েছে। মিয়ানমারে কাচিন বা জিংপো জাতির লোকজনের সংখ্যা প্রায় ১০/১১ লাখ। পৃথিবীতে সবমিলে কাচিন বা জিংপো বা শিংপো জাতির জনসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। জিংপো বা কাচিন ভাষার প্রথম প্রকাশিত পত্রিকার নাম Jinghpaw Prat or Jinghpaw Times। ১৯৫৮ সালে এই প্রত্রিকাটি মিয়ানমারের রাজধানী রেংগুন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ছিলো সাপ্তাহিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

স্বগতোক্তি: আল কায়েদা নয়, আলাদা কায়দা মাত্র!

আল কায়েদা নয়, আলাদা কায়দা মাত্র মুক্তচিন্তা বা ভিন্নচিন্তা যারা লালন করেন, যারা নিজের মাথা-মেধা-চিন্তা-মস্তিষ্ককে কাজে লাগান, যারা যুক্তিকে, কুযুক্তি বা অযৌক্তিক হলেও, ক্রিটিক্যালি কাজে লাগান, তাদের লাগাম টেনে ধরতে সবসময় সচেষ্ট থাকে ‘আনুগত্যবাদী’ অচলিষ্ণু গোঁড়া গোঁয়ারগোবিন্দরা। তারা এই কাজ আগেও করেছে, এখনো করছে। এই ক্ষেত্রে লক্ষ্যভেদে কৌশলমাত্র আলাদা, কিন্তু নীতি স্ট্রাটেজিতে ফারাক নেই মৌলপন্থী ও চলতিপন্থীদের মধ্যে। তারা ‘বেচলাচল’ কম কেয়ার করে। তাই ব্লগার বলি বা স্বচিন্তবাদী বা মুক্তচিন্তার মানুষ যাই বলি, তাকে হত্যার পর ‘আল কায়েদা’কে ‘মিঁয়া’ বানানো ... বিস্তারিত পড়ুন →