লিখে রেখো সাজেক একফোঁটা দিলেম শিশির!

সাজেক বা গঙ্গারাম এলাকা থেকে চলে এসেছি তিন মাসের অধিক হয়ে গেল। সেখানে থাকার সময় যে কাজটি করে সবচেয়ে বেশি মানসিক শান্তি পেয়েছি তা হলো, গঙ্গারাম-কাজালঙ নদীতে ১২ হাজারের মতো বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা ছেড়ে দেয়ার কাজটি করে। ইউপিডিএফ সাজেক ইউনিটের পক্ষ থেকে মাছের পোনা ছেড়ে দেয়ার কাজটি করা হয়। দেখুন cht24.com লিঙ্ক মাছের ছোট্টো ছোট্টো পোনাগুলো যখন মুক্তি পেয়ে হঠাৎ ছোট্টো নদীর স্রোতের মধ্যে উধাও হয়ে হারিয়ে গিয়েছিল, তখন মনের যে স্বস্তি ও শান্তি লাভ করেছিলাম তা আজও আমাকে তৃপ্ত করে, স্বস্তি দেয়, আমি আনন্দলাভ করি, পুলকবোধ করি! না, কোনো রকমের ধর্মীয় বোধ থেকে এইপুলকলাভ, শান্তি বা স্বস্তি ... বিস্তারিত পড়ুন →

দুই পার্বত্য জেলা থেকে বান্দরবান একটু অন্যরকম- Jidit Chakma

লেখার বিষয়বস্তু গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হওয়ায় Jidit Chakma-র ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নিচের লেখাটি নেয়া হলো- আপনার কখনো বান্দরবান যাওয়া হয়েছে কিনা জানি না, কিংবা যাওয়া হলেও লক্ষ্য করেছেন কিনা তাও জানি না, অন্য দুই পার্বত্য জেলা থেকে বান্দরবান একটু অন্যরকম। পাহাড়-নদী-ঝর্ণা আর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যতা এখানকার প্রধান বৈশিষ্ট্য কিংবা সামরিক পর্যটনের ভাষায় বললে বলা যায় “প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অপূর্ব লীলাভূমি”। হ্যাঁ! যে কেউ এক দেখায় একমত পোষণ করবেন, বান্দরবান সুন্দর! আর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি! বান্দরবানের পথে পথে সাইনবোর্ড দিয়ে টাঙানো রয়েছে সেই সম্প্রীতির ... বিস্তারিত পড়ুন →

দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়াঃ ডাব্বোয়া-জুয়া চলবে না!

দীঘিনালায় ডাব্বোয়া-জুয়ার আসর বসানো চলবে না, চলবে না! দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি বলেই মনেহয়! বেশ কয়েকদিন আগে খাগড়াছড়ি সদরের কমলছড়ি গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার শত বার্ষিকী অনুষ্ঠানের দিন জুয়া-ডাব্বোয়া খেলার আসর বসানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ-ডাব্বোয়া খেলুড়েদের মধ্যে সংঘাতকান্ড হয়। আমরা নানা ভাবেই জানতে পারছি, সমাজের মধ্যে যুব-যুবা অংশ নানা ভাবে উচ্ছন্নে যাবার সাথে সাথে এলাকায় এলাকায় ডাব্বোয়া-জুয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজ ২৫ এপ্রিল সকালে শুনলাম খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সদরে লটারী ড্র-এর আসর বসানোর হবে। এই আসরের নামে একটি বিকালে ডাব্বোয়া-জুয়ার আসর বসানো ... বিস্তারিত পড়ুন →

মরণের প্রকারভেদ- সরোজ কান্তি চাকমা

সরোজ কান্তি চাকমা বাত্ত্যা বৈদ্ধিয়্যা গুণে গুণে পঁচাশি বৎসর (তাহার প্রায়ই বলা তথ্য মতে) বাঁচিয়া অদ্য মরিল। মানুষের রচিত শাস্ত্রবিধি মতে এতক্ষণে যমালয়ে তাঁহার পাপ-পূণ্যের পাকা হিসাব কষা শেষ হইয়াছে। স্বর্গের সুশ্রী দেবতারা কিংবা নরকের কুশ্রী অত্যাচারী শুকরমুখো জীবগণ তাহার পুরষ্কার কিংবা শাস্তির কার্যকলাপ শুরু করিয়া দিয়াছেন। অবশ্য গ্রামের বয়ো-বিজ্ঞজনের ঐক্যমতে, বাত্ত্যার স্বর্গপ্রাপ্তি নি:সন্দেহ। কারণ, তাহার পঁচাশি বৎসর জীবন কালে সে কাহারও মনোকষ্টের কারণ হননি; ক্ষেত্রবিশেষে যদিও চাপাবাজিতে গুরু ছিলন। শ্রুত কথা-যৌবন কালে কোন এক দ্রোণগুরুর আতিশষ্যে মহাসমারোহে ... বিস্তারিত পড়ুন →

২৭টি আনারস চারা রোপন করে দিয়ে শুরু হলো উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করার কাজ!

মাত্র ২৭টি আনারস চারা! এক ব্যক্তির অনাদরে রাখা আনারস বাগান থেকে চারা তুলে নিলাম আমরা! তারপর সেগুলো একটি ঝলায় ভরে হাতে একটি তাগল/দা নিয়ে রওনা দিলাম। কিছুক্ষণ হেটে গিয়ে গঙ্গারাম নদীর ধারে আসলাম। সেখানে পাড়ে রাখা নৌকা দিয়ে নদী পার হলাম। নদীর পাশেই রামঅছড়া গ্রামের সীমানা শুরু।  পাহাড়ি পথ বেয়ে গেলাম দিলদাজ্জে বাপ-এর বাড়িতে। সেখানে তার পরিবারসহ সবাই তখন ছিলো। তারা দুপুরের বিশ্রাম নিচ্ছিলো। তাদের বললাম- আমরা এসেছি আপনার বসতভিটার কাছে চারটি আনারস চারা লাগিয়ে দিতে। তাকে বললাম- আপনার বসতভিটার চারপাশে কেন এত ঝাড়? অনুরোধ করলাম কয়েকদিনের মধ্যে যেন তিনি তার ঝাড় পরিষ্কার করেন। ... বিস্তারিত পড়ুন →

দীঘিনালা-খাগড়াছড়ির সীমানা পাড়া ঘুরে – পানির জন্য তারা কেন সরকারের কাছে দাবি জানায় না!?

তারিখ: ২৪ মার্চ, ২০১৪ দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি রোডের ৯ মাইল এলাকা। পাকা পথের বা঳ক উত্তর দিকে ইট বিছানো একটি পথপাহাড় বেয়ে চলে গেছে। পাহাড়ের একেবারে উপরে একটি ইশকুল রয়েছে। সেখান থেকে দীঘিনালা দেখা যায়। নয়নাভিরাম পাহাড় ঘেরা দীঘিনালাকে এখান থেকে অপরূপ রূপবতী বলেই মনেহয়! আমি সেখানে না থেমে ‘সীমানা পাড়া’ গ্রামে চলে গেলাম। সীমানা পাড়া মানে হলো এই গ্রামটির মাঝখানে দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি উপজেলার সীমান্ত চলে গিয়েছে। চৈত্রের এই তাপদাহে দেখলাম এলাকার জনগণ কলসি দিয়ে পানি আনছে। প্রশ্ন করলাম, কোত্থেকে পানি আনেন? তারা বললো পাশের ঝিরি থেকে তারা পানি আনে। চৈত্রের এই সময়ে তারা পানির অভাবে ... বিস্তারিত পড়ুন →