বাঙ চোঙ-হোনঃ কোরিয়ায় শিশুদের আত্মমর্যাদা শেখাতে যিনি আন্দোলন করেছিলেন

কোরিয়া শিশু দিবস পালন করা হয় প্রতি বছরের মে মাসের ৫ তারিখ। এই শিশুদিবস পালনের ইতিহাসে রয়েছে শিশুপ্রিয় এক ব্যক্তির নাম। তার নাম বাঙ চোঙ-হোন ইংরেজিতে Bang Jeong-hwan। কোরিয়ার এই শিশুদিবস পালনের পেছনে রয়েছে লড়াইয়ের ইতিহাস, অধিকার পাবার জন্য হাঁসফাঁসের ইতিহাস। কোরিয়া জাপানের কাছ থেকে পদানত হয় ১৯১০ সালে।  তখন কোরিয়ায় দুর্যোগের কাল যাচ্ছে। কোরিয়ার স্বাধীনতাকামীরা চেষ্টা করছে কোরিয়াকে জাপানের নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আনতে। বাঙ চোঙ-হোনের বয়স তখন ১১ অথবা ১২ বছর। ১৮৯৯ সালে তিনি জন্মেছিলেন। তাদের পরিবার চার প্রজন্ম ধরে সুখে শান্তিতে একই স্থানে বসবাস করছিলো। তারা ছিলেন বনেদি ব্যবসায়ী। ... বিস্তারিত পড়ুন →

পুরাতন লেখাঃ ভিলেজ পলিটিক্সে অনভিজ্ঞ একজন

তারিখ: ১০ আগস্ট, ২০১৪ রাত ১০.০০টা আমি উপভোগ করি আমার দায়িত্ব ও কাজকে। আমি চেষ্টা করি দায়িত্ব ও কাজকে সঠিকভাবে করতে। মনেপ্রাণে বাস্তব কাজের সাথে সম্পৃক্ত থেকে নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে চেষ্টা করি। এর্বং এই দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ কোনো ব্যক্তিক স্বার্থ চেতনাকে প্রশ্রয় না দিয়েই তা করার চেষ্টা করি। তবে এটা বলা যায় যে, কাজের মধ্যে ভুলচুক থাকা স্বাভাবিক। তবে চেতনে বা চেয়েশুনে ভুল করা থেকে বিরত থাকাতেই সবসময় চিন্তা ও দৃষ্টি থাকে এটা বলা যায়। যে কাজ করছি… যে কাজ করছি তা জনগণের সাথে, পার্বত্য চট্টগ্রমের জনগণের সাথে সম্পৃক্ত। বাস্তব কাজে, বাস্তবে জনগণের সাথে আছি, এই আনন্দবোধ ... বিস্তারিত পড়ুন →

জবাবদিহি মিঠুন চাঙমা’র!!!

অনেক সময় মুই, এই মিঠন-এ নানা কারণে আলোচনাত এঝে! অনেক সময় ব্যক্তি মিঠুন, পার্টি সদস্য মিঠুন নানা কারেণে আলোচনাত এঝে। মিঠুন চাঙমা কয়দে, ত্যা দ দেবেদা নয় ভুতও নয়! ত্যা মানুচ! হালিক মিঠুনে আরেগ্গান কধা কয়, নানা সীমাবদ্ধতার ভিদিরেও তার বানা এগ্গান গম জিনিচ আঘে, ত্যা সবসময় নিজ’রে জবাবদিহিতা ভিদিরে রাঘায়। ত্যা নিজ’রে লুগেই ন রাঘাই। গম অহলে সিআন র গুরিনেই কয়। বজঙ অহলে সিআন বজঙ কবার সাহজ রাঘাই। ত্যা সামনা সামনি মুজুঙো মুজুঙোমুজুঙি অহবার সাহজ রাঘাই। তার দর্শন বা দৃৃষ্টিভঙ্গি বা চিন্তাগত ফারাক অন্য জনদোই থেইও পারে। সিআন লোইনেই ত্যা সরাসরি তেম্বাঙ গত্তে গম পাই। তারে লোইনেই নানা ... বিস্তারিত পড়ুন →

যে জাদে বীর সাহজী তার মানেইউনোরে সম্মান ন গরে সে জাদ কি উজেই পারে?

বাঘেইসুরি পিসিপি প্রোগ্রামঅত কিল্লেক এতন গুজ্জোঙ। সিদু হাঙদক বক্তব্য রাঘেইওঙ। বাঘেইসুরি রুপকারি ইশকুলঅ মাধঅত এ অনুস্তানআন চুল্লে। সিওত ৪০০/৫০০ গুরো-ইসতুডেন-বুড়ো এতন গুজ্জোন। সিওত পিসিপি ২১ জনঅর এগ্গো কুমিতি বা্নেইএ। সে মিতিঙঅত মর কধা কবার পালা এলে মুই, চাঙমা কধানদি কিজু কধা কুইওঙ। সে পরে বাঙাল ভাচঅনদি কধা কুইওঙ। মুই কুইওঙ, এই যে, বাঘেইসুরি, ইচ্চে তুমি যে জাগাআনিত আঘঅ সিআনিত আমা পূর্ব পুরুষউনে বা আমা বাপ-দাদা দাঘি বজত গুজ্জোন কাপ্তেই গধাআন অহনার পরে। যে জাগা বা বিলউনোত ইচ্চে তুমি বজত গুরি আঘঅ, সে বিল বা জাগাআনিত আমা বাপ দাদা দাঘি পোল্লেম জ্যাক্কেনে ইচ্চোন, স্যাক্কেনে ... বিস্তারিত পড়ুন →

শহীদ রূপক চাকমাকে স্মরণ করছি, তাকে জানাই সশ্রদ্ধ লাল সালাম!

(এক বছর আগের লেখা শেয়ার করলাম- মিঠুন চাকমা) (এক) [ শহীদ রূপক চাকমা। আমার কাছে এক আবেগের নাম, সম্মানের সাথে স্মরণ করার জন্য একটি নাম। ছোটোকালে তাকে দেখেছি। কিছুদিন আমাদের পরিবার নারাঙহিয়া অনন্ত মাস্টার পাড়ায় থাকার সময় তাঁর সাথে পরিচয়। একসাথে  ‘নাধেঙ(লাঠিম)’ খেলেছি। তিনি আমাদের সিনিয়র। পরে সেখান থেকে চলে গেলে তাঁকে অনেকদিন দেখিনি। তারপর ভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর তাঁর সাথে দেখা। তখন তো তিনি সংগঠনের একনিষ্ঠ কর্মী এবং নেতা। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হয়েছিলেন। যখন বক্তব্য রাখতেন তখন আত্মবিশ্বাস নিয়ে বক্তব্য রাখতেন। যুক্তি তুলে ধরতেন ধারালোভাবে। ২০০১ সালের ... বিস্তারিত পড়ুন →

স্বেচ্ছাশ্রমের কাজ করে যাচ্ছে সাজেকের পিসিপি ও যুবফোরামের কর্মীরা

তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাঙামাটির সাজেকের পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও গণতান্ত্রিক যুবফোরামের কর্মীরা সংগঠনের রাজনৈতিক কাজের পাশাপাশি স্বেচ্ছাশ্রমের কাজ করে যাচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে আজ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ইং দুপুরে গঙ্গারাম-করেঙাতুলি রোডের ইটবিছানো পথের ভাঙা অংশসমূহ সংস্কার কাজে হাত দিয়েছে পিসিপি ও যুবফোরামের কর্মীরা। যুবফোরামের সুপন চাকমা ও জেনেল চাকমার নেতৃত্বে ৬ জনের একটি টিম এই সংস্কার কাজে অংশ নেয়। স্বেচ্ছাশ্রম টীমে ছিলেন রূপন চাকমা, জীবন চাকমা, তুহিন চাকমা, রমেশ চাকমা, সুপন চাকমা ও জেনেল চাকমা। গঙ্গারাম-করেঙাতুলি ইটবিছানো পথের যে অংশ ভাঙা দেখা যায় সেগুলো নতুন ... বিস্তারিত পড়ুন →

১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস নিয়ে

১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষাদিবস। দিনটি পালন করে বাংলাদেশের অনেক প্রগতিশীল সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগঠন। ১৯৬২ সালের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ শরিফ শিক্ষাকমিশনের বাণিজ্যমুখীন শিক্ষাব্যবস্থা চালুর সুপারিশের বিরুদ্ধে হরতাল ডেকেছিল। পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক প্রশাসক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৫৯ সালের ৫ জানুয়ারি শিক্ষা কমিশনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এই কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি তার একসময়কার শিক্ষক আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাবিভাগের সচিব এস এম শরিফকে নিয়োগ করেছিলেন। উক্ত কমিশনে পূর্ব পাকিস্তান ... বিস্তারিত পড়ুন →

মাও সেতুঙ, তার জীবন এবং চীন বিপ্লব

মাও সেতুঙের প্রথম জীবন মাও সেতুঙ বা মাও জে ডঙ হলেন নয়া চীনের প্রতিষ্ঠাতা। চীনের কম্যুনিস্ট বিপ্লব তার নেতৃত্বে সংগঠিত হয়। তার জন্ম ১৮৯৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর মধ্য চীনের হুনান প্রদেশের শাওশাঙ বা শাওশান জেলার শাউশাঙচুঙ নামে এক গ্রামে। তার পিতা ছিলেন একজন কৃষক। পরিশ্রম করে তার পিতা মোটামুটি অবস্থাপন্ন এক কৃষকে পরিণত হন। মাওয়ের পিতার নাম মাও ইয়্যাচেঙ(Mao Yichang)। মায়ের নাম ওয়েন কুইমেই(Wen Qimei)। মাওসেতুঙের পিতা তার ছেলেকে ছোটোকাল থেকেই  চাষের কাজে নিয়োগ করেছিলেন। লেখাপড়ার ফাকে ফাকে তাকে চাষের কাজে সময় দিতে হতো। ৮ বছর বয়সে মাও সেতুঙ গ্রামের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। সেখানে ... বিস্তারিত পড়ুন →

৯ সেপ্টেম্বর চীন দেঝ’র মহান নেতা মাও সেতুঙ’র মৃত্যু দিবস-রাঙা রঙ’ জু কমরেড মাও সেতুঙ

    মাও সেতুঙ    কপি গরা উইয়ে: মোনোত্তুগব্লগ রোজা উইএ-২০০৮-৯ সাল   মাও সেতুঙ- চীন নাঙে দেঝ’র মহান নেতা। চীন দেঝ’ নাঙ য্যা শুন্যে ত্যা মাও সেতুঙ নাঙ শুন্যে। চীন দেচ্চান যে ইদ্দুর উন্নতি উইয়ে, পিত্থিমিত যে চীন’র এত সম্মান মযযাদা তা পিজেন্দি মাও সেতুঙ’ ধুক্কেন মহান নেতার অবদান আগে। মাও সেতুঙ ১৮৯৩ সাল’র ডিসেম্বর মাহজ’র এগ্গো দিন’ত চীন’র হোনান প্রদেঝ’র শাঙতান জেলার শাউশাঙচুঙ নাঙে এগ্গান আদাম’ত জনম লুইয়ে। তা বাপপো এল’দে হুব গুরিপ। নিজ’ পরিশ্রমে ত্যা এগ্গান সময় থাউয়ে ন অহলেও চলেদে পারা তেঙা কামেইয়ে আআ ভুই বানেই পাজ্জে। তারা তেঙা-পোইঝে বলা উইওন। তারপরেও ... বিস্তারিত পড়ুন →

গ্রামীণ এক নাম্বার থেকে মৃত্যুর হুমকি পেলাম

তারিখ: ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ ‪#‎স্ট্যটাস‬ ‪#‎ব্যক্তিগত‬ ‪#‎অধিকার‬ আজ গ্রামীণ একটি নাম্বার থেকে মৃত্যুর হুমকি পেলাম। নম্বরটি হলো- ০১৭৯৮২৫১১০৯ বিকাল ঠিক ৩.৩৪ ‍মিনিটে উক্ত নাম্বার থেকে ফোন আসে। আমি ফোন ধরি। অপর প্রান্ত থেকে বলা হয় আমি কোথায় আমি কোথায় আছি, খাগড়াছড়িতে আছি কী না। এরপরই খারাপ ভাষায় গালি চলতে থাকে। আমি শান্ত থেকে তাকে প্রশ্ন করি যে তিনি কে, কী জন্য ফোন করছেন। এরপরই তিনি বলেন যে, তিনি আমাকে খুন করবেন। আমার ছবি নাকি তার কাছে রয়েছে। এ কথা শোনার পরে আমি বার বার তাকে প্রশ্ন করি তিনি কেন আমাকে খুন করতে চাইছেন। তিনি ফোন লাইন কেটে দেন। আমি আবার ফোন করি। এবার তিনি বলেন যে, ... বিস্তারিত পড়ুন →