মিঠুন চাকমা’র দু’চার কথা!

জীবন দর্শনের পাঁচালী-০১ মুখ্য এই জীবনটাই! জীবনটাই চলমান বা চলমানতাই জীবন! সুতরাং সময়ও চলমান! বাস্তবতাও চলমান! বস্তু ও বাস্তবতাও চলমান, পরিবর্তমান, ঘটমান! কিন্তু জীবেনর পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রক্রিয়াটাই মুখ্য যার উপর সবকিছু নির্ভর করে!  এই্ প্রক্রিয়াকে আমরা পদ্ধতি, পন্থা, পাথেয়, কৌশল, পরিকল্পনা ইত্যাদি যা-ই বলি না কেন। কিন্তু সেই ‘প্রক্রিয়া’ গঠনমূলক না ধ্বংসাত্মক না কি যান্ত্রিক না কি ভাবমূলক আত্মকেন্দ্রিক অথবা বস্তু বাস্তবতার সাথে সম্পর্কযুক্ত বা সম্পর্কহীন বা যথাযথ যুগোপগোগী তার উপরই এই জীবনের গাঠনিকতা দাঁড়িয়ে। জীবনের বাস্তবতাই বলে দেয় বাস্তবতার সাথে বস্তুর প্রতিঘাতে ... বিস্তারিত পড়ুন →

চাঙমা উপন্যাস চাই মানে কী?

বাঙালঅদেজঅর সমাজ-মানজোরে কোচপিএ একজন লিঘিয়্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস-এ ভালকদিন আঘে ‘চাকমা উপন্যাস চাই’ নাঙে এগ্গান লেঘা লিক্কে। সিওত ত্যা চাঙমাউনোর চাঙমা  ভাচঅন্দি উপন্যাস লেঘানা দরকার ভিলি কমেন গুজ্জে। তা এই লেঘাগান চাঙমা লিঘিয়্যেউনোরে নানাভাবে ইনফ্লুএন্স গুজ্জে। কনঅজনে তা লেঘাআনঅর মানে ন বুজিনেই পোল্লেম চাঙমা উপন্যাস লিঘিয়্যে হোলেবার নাঙ গুরি ‘চাঙমা উপন্যাস’ লিঘিও ফিল্লোন! হালিক তা লেঘাগানঅর মানে বোধঅয় আমি পুড়িএউনে এবঅ সঙ ন বুঝি! সে বিষয়ে কধা ক’বার আঘে এগ্গান কধা কঙ, উপন্যাস অহলদে আধুনিক যুগঅর এগ্গান অনুষঙ্গ। এগ্গো জাদঅর দাঙঅর অহবার বা জাদঅর উজোনি ... বিস্তারিত পড়ুন →

কোথা থেকে শুরু করতে হবে?

রাশিয়ার অক্টোবর বিপ্লবের সার্থক রূপকার ভ্লাডিমির  ইলিচ উইলিয়ানভ লেনিন ইস্ক্রা বা স্ফুলিঙ্গ নামক পত্রিকার ১৯০১ সালের মে মাসে প্রকাশিত ৪র্থ সংখ্যায় লিখেছিলেন ছোটো একটি লেখা। শিরোনাম, ‘Where to Begin?’। সেই লেখার প্রথমে তিনি লিখছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিশেষ জোর দিয়ে রাশিয়ান সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটরা ‘কী করতে হবে’ এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে। আমরা কী পথ গ্রহণ করবো ( যা নিয়ে গত ৮০ ও ৯০ দশকে আলোচনা হয়েছিল)তা নিয়ে এই আলোচনা নয়। বরং আমাদের পরিচিত পথ বা আদর্শের মধ্য থেকে আমরা কী বাস্তব পন্থা গ্রহণ করবো বা কীভাবে তা আত্মস্থ বা বাস্তবে রূপায়ণ করবো তা নিয়েই এই আলোচনা চলছে। ... বিস্তারিত পড়ুন →

বাঙ চোঙ-হোনঃ কোরিয়ায় শিশুদের আত্মমর্যাদা শেখাতে যিনি আন্দোলন করেছিলেন

কোরিয়া শিশু দিবস পালন করা হয় প্রতি বছরের মে মাসের ৫ তারিখ। এই শিশুদিবস পালনের ইতিহাসে রয়েছে শিশুপ্রিয় এক ব্যক্তির নাম। তার নাম বাঙ চোঙ-হোন ইংরেজিতে Bang Jeong-hwan। কোরিয়ার এই শিশুদিবস পালনের পেছনে রয়েছে লড়াইয়ের ইতিহাস, অধিকার পাবার জন্য হাঁসফাঁসের ইতিহাস। কোরিয়া জাপানের কাছ থেকে পদানত হয় ১৯১০ সালে।  তখন কোরিয়ায় দুর্যোগের কাল যাচ্ছে। কোরিয়ার স্বাধীনতাকামীরা চেষ্টা করছে কোরিয়াকে জাপানের নাগপাশ থেকে বেরিয়ে আনতে। বাঙ চোঙ-হোনের বয়স তখন ১১ অথবা ১২ বছর। ১৮৯৯ সালে তিনি জন্মেছিলেন। তাদের পরিবার চার প্রজন্ম ধরে সুখে শান্তিতে একই স্থানে বসবাস করছিলো। তারা ছিলেন বনেদি ব্যবসায়ী। ... বিস্তারিত পড়ুন →

ক্ষমতা সৃষ্টি করে আমলাতন্ত্র, স্বেচ্ছাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন

ক্ষমতার সাথে যূথবদ্ধ হয় আমলাতান্ত্রিকতা। আমলাতন্ত্র সৃষ্টি করে জনগণের সাথে ক্ষমতাবানদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা। এতে কিছু সুযোগসন্ধানী চাটুকার সৃষ্টি হয়, যারা ক্ষমতাবানদের এমনভাবে ঘিরে রাখে যে ক্ষমতাবানরা তাদের দ্বারা মোহগ্রস্ত প্রভাবগ্রস্ত হয়ে থাকে সবসময়। তারা এই বৃত্তাবদ্ধ ঘেরা বেড়া সৃষ্টিকারীদের দ্বারা এমনভাবে ঘেরাও হয়ে থাকে যে তারা তখন আর বাস্তব জনগণকে সাদাচোখে খোলামেলাভাবে দেখে না। তারা সুযোগসন্ধানী চাটুকারদের দৃষ্টিতে জনগণকে দেখে। এবং এতে তারা ভুল করে, ভুলে পরে। এবং পরে একসময় তারা ভুল দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টির কারণে জনগণকে দেখে না, জনগণকে বোঝে না। তারা ভুল করতে ... বিস্তারিত পড়ুন →

জবাবদিহি মিঠুন চাঙমা’র!!!

অনেক সময় মুই, এই মিঠন-এ নানা কারণে আলোচনাত এঝে! অনেক সময় ব্যক্তি মিঠুন, পার্টি সদস্য মিঠুন নানা কারেণে আলোচনাত এঝে। মিঠুন চাঙমা কয়দে, ত্যা দ দেবেদা নয় ভুতও নয়! ত্যা মানুচ! হালিক মিঠুনে আরেগ্গান কধা কয়, নানা সীমাবদ্ধতার ভিদিরেও তার বানা এগ্গান গম জিনিচ আঘে, ত্যা সবসময় নিজ’রে জবাবদিহিতা ভিদিরে রাঘায়। ত্যা নিজ’রে লুগেই ন রাঘাই। গম অহলে সিআন র গুরিনেই কয়। বজঙ অহলে সিআন বজঙ কবার সাহজ রাঘাই। ত্যা সামনা সামনি মুজুঙো মুজুঙোমুজুঙি অহবার সাহজ রাঘাই। তার দর্শন বা দৃৃষ্টিভঙ্গি বা চিন্তাগত ফারাক অন্য জনদোই থেইও পারে। সিআন লোইনেই ত্যা সরাসরি তেম্বাঙ গত্তে গম পাই। তারে লোইনেই নানা ... বিস্তারিত পড়ুন →

গম মানুচ বা’ঝি ল’না, বুঝেদে মানজোর দুঘ’ত ন থানা

সমাজ্জে একজনদোই কধা ক’দে ত্যা ক’লঅ, গম মানজোর ভাত নেই আর বুঝেদে মানজোর শান্তি নেই। তারে কোলুঙ, গম কারে কয়? গম মানুচ কারে কয়? গম অহলে তার ভাত ন থ্যালেও রাত দ নেই! গম মানে ত্যা মনে গম, কামে গম, কধায় গম,চলনে গম, মানজোলোই মিল’নে সিল’নেও গম, ত্যা তা সমাজ্জেলোইও গম। আর শত্তুরলোইও ত্যা নীতি নিয়ম রক্ষা গুরিনেই শত্রুতা গর’দে গম!     তারে কোলুঙ, পিত্থিমিত গম মানুচ চিন’দে কষ্ট! য্যা গম গরে বা মানজোর গম চাই, ত্যা গম গত্তে সলাত মানজো সিআন বজঙ নাঙঅ দিই পারন। পো শা’ রে গম গত্তে শাজন গরা পরে, বজঙ কামঅত্তুন তারে ফিরি আনিবাত্তেই তারে কষ্ট দিআ পরে। রোগীরে গম গুরিবার চ্যালে তারে দ’ তিদে হাবা পরে, তারে ... বিস্তারিত পড়ুন →

লতিফ সিদ্দিকীর বক্তব্য নিয়ে শোরগোল, হল্লা হৈ হুল্লোড়

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী নিউ ইয়র্কে গিয়ে জ্যাকসন হাইটসের এক হোটেলে টাঙ্গাইলবাসীদের সাথে মতবিনিময় সভায় কিছু নিজস্ব মতামত বা বক্তব্য প্রদান করেছেন। তিনি যে সকল বক্তব্য রেখেছেন তার মধ্য থেকে হজ্ব নিয়ে ও শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে নিজস্ব মত পেশ করেছেন। এবং এই বক্তব্য বা মতামত এখন দেশের হট কমেন্ট বা টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি তার কথা বলেন। তিনি যা বলেছেন তার মর্মার্থ হলো, তিনি হজ্বকে ’ধর্মীয় কল্যাণ-শান্তি-সোয়াব-মুক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে তিনি তার অর্থনৈতিক উপযোগিতার দিক বিবেচনা করে বক্তব্য ... বিস্তারিত পড়ুন →

যে জাদে বীর সাহজী তার মানেইউনোরে সম্মান ন গরে সে জাদ কি উজেই পারে?

বাঘেইসুরি পিসিপি প্রোগ্রামঅত কিল্লেক এতন গুজ্জোঙ। সিদু হাঙদক বক্তব্য রাঘেইওঙ। বাঘেইসুরি রুপকারি ইশকুলঅ মাধঅত এ অনুস্তানআন চুল্লে। সিওত ৪০০/৫০০ গুরো-ইসতুডেন-বুড়ো এতন গুজ্জোন। সিওত পিসিপি ২১ জনঅর এগ্গো কুমিতি বা্নেইএ। সে মিতিঙঅত মর কধা কবার পালা এলে মুই, চাঙমা কধানদি কিজু কধা কুইওঙ। সে পরে বাঙাল ভাচঅনদি কধা কুইওঙ। মুই কুইওঙ, এই যে, বাঘেইসুরি, ইচ্চে তুমি যে জাগাআনিত আঘঅ সিআনিত আমা পূর্ব পুরুষউনে বা আমা বাপ-দাদা দাঘি বজত গুজ্জোন কাপ্তেই গধাআন অহনার পরে। যে জাগা বা বিলউনোত ইচ্চে তুমি বজত গুরি আঘঅ, সে বিল বা জাগাআনিত আমা বাপ দাদা দাঘি পোল্লেম জ্যাক্কেনে ইচ্চোন, স্যাক্কেনে ... বিস্তারিত পড়ুন →

শহীদ রূপক চাকমাকে স্মরণ করছি, তাকে জানাই সশ্রদ্ধ লাল সালাম!

(এক বছর আগের লেখা শেয়ার করলাম- মিঠুন চাকমা) (এক) [ শহীদ রূপক চাকমা। আমার কাছে এক আবেগের নাম, সম্মানের সাথে স্মরণ করার জন্য একটি নাম। ছোটোকালে তাকে দেখেছি। কিছুদিন আমাদের পরিবার নারাঙহিয়া অনন্ত মাস্টার পাড়ায় থাকার সময় তাঁর সাথে পরিচয়। একসাথে  ‘নাধেঙ(লাঠিম)’ খেলেছি। তিনি আমাদের সিনিয়র। পরে সেখান থেকে চলে গেলে তাঁকে অনেকদিন দেখিনি। তারপর ভার্সিটিতে ভর্তি হবার পর তাঁর সাথে দেখা। তখন তো তিনি সংগঠনের একনিষ্ঠ কর্মী এবং নেতা। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হয়েছিলেন। যখন বক্তব্য রাখতেন তখন আত্মবিশ্বাস নিয়ে বক্তব্য রাখতেন। যুক্তি তুলে ধরতেন ধারালোভাবে। ২০০১ সালের ... বিস্তারিত পড়ুন →