চাঙমা উপন্যাস চাই মানে কী?

বাঙালঅদেজঅর সমাজ-মানজোরে কোচপিএ একজন লিঘিয়্যে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস-এ ভালকদিন আঘে ‘চাকমা উপন্যাস চাই’ নাঙে এগ্গান লেঘা লিক্কে। সিওত ত্যা চাঙমাউনোর চাঙমা  ভাচঅন্দি উপন্যাস লেঘানা দরকার ভিলি কমেন গুজ্জে। তা এই লেঘাগান চাঙমা লিঘিয়্যেউনোরে নানাভাবে ইনফ্লুএন্স গুজ্জে। কনঅজনে তা লেঘাআনঅর মানে ন বুজিনেই পোল্লেম চাঙমা উপন্যাস লিঘিয়্যে হোলেবার নাঙ গুরি ‘চাঙমা উপন্যাস’ লিঘিও ফিল্লোন! হালিক তা লেঘাগানঅর মানে বোধঅয় আমি পুড়িএউনে এবঅ সঙ ন বুঝি! সে বিষয়ে কধা ক’বার আঘে এগ্গান কধা কঙ, উপন্যাস অহলদে আধুনিক যুগঅর এগ্গান অনুষঙ্গ। এগ্গো জাদঅর দাঙঅর অহবার বা জাদঅর উজোনি ... বিস্তারিত পড়ুন →

চাঙমা হোবিতে: রিবেঙ পজা বিষ- বাসু চাঙমা

পুজি যাদে যাদে হত্তমান পুজি যেয়োং যুনি চেবার চাজ- ফেসবুগোর পাদা হুলি চা দেগিবে হেনান্যা আগে আমা সমাজ! নলাগিবো তর সমাজর মরঙত লামিবার পোরবুয়া ও নপুরিবো- তুই রিনি চেলেই বুঝিবে, মন মরঙত লুগি আগে আঙোচ্চে আন্ধার। রুমে রুমে ছিদি যার রিবেঙ পজা বিষ আক্কল পুজি-গুলি যার- আন্দলর চেঙেরা দিগিলেই জারহাদা উদিবো, ভাবি চা! হধক তলে লামিবোঙ আর! তলে লামদে লামদে হধক তলে লামিলে মা-বোনদোই হারা হো পারে? মরে হ! হধক পুজি গেলে হধালোই নিজো ভোন ঝাবে পারে! ইংসে-রিজসোর চিন্দেবাজ গোদা হিয়েনত মানেয়োর বাজ নেই আর- মরা হিয়েলোই টানাটানি,রেং হারানা! ভেই! নক্কুনি ফারক নেই এমানর সং অবার। মন হাজর অধে অধে হধক হাজর অলে ভেই ... বিস্তারিত পড়ুন →

আমাকে বলা হলো হতাশার মানে কী?!

(ক) আমাকে বলা হলো একদিন তুমি কি হতাশার মানে বলবে!? বলা হলো, এই পৃথিবীর সবকিছু কেমন যেন হতাশার! কেমন যেন পৃথিবী নিস্তরঙ্গ, অচল ঠাটেবাটে! আমি বললাম, হতাশার মনে তো জীবনপাত, তারমানে পাট চুকালো আশা বেচে থাকার!   (খ) আমি বললাম, আশার ঘনঘটা, আশার দোলাচল আশার মোহমায়া, আশার চিকচিক আভা অথবা, আশার কালো নিকষ অন্ধকার! এসবই আমার পছন্দের! আমি হতাশা, আশাহীনতা, দুরাশা, নিরাশার চাষাবাদ করি না। যদি সম্ভব হয়, আমি হাটি হেটে যাই, নি:শ্বাস নিই, নি:শ্বাস ফেলি! তারপরও আমি হতাশার চাষ করি না!   (গ) পরে আমায় বলা হয়! তারপরও তো কিছু নেই আশা দেখার! বরঞ্চ আশাহীনতার উল্কি ঝলকায় পলকে পলকে বেচে থাকার চেতনা মরে বাচার অচেতনতায় ... বিস্তারিত পড়ুন →

কবিতা!: লড়াইয়ের মানে!

লড়াইটা সাজসুন্দর নুদিনাট্যার স্থান নয়!   লড়াইটা ফিটফাট ভিতর সদরঘাটের সাজন নয় লড়াইটা নাকি সুরে পলকা হাওয়ায় ভাসা নয়   লড়াইটা অন্তর্জালে বাকবাকুম পায়রা নয়!   লড়াইটা রেততো সাত আহল বিন্নে এক আহল নয়!   লড়াইটা পিঠ দেখিয়ে সটকানো নয়!   লড়াইটা হাতখূলে গান গাওয়া নয়!   লড়াইটা বুকসটান দাড়িয়ে থাকাও তো নয়!   লড়াইটা মিঝে কধা নয়!   তাহলে লড়াইটা কি?   লড়াইটা হলো ইতিহাস!   লড়াই হলো লড়ে যাওয়া!   লড়াই করা মানে হতাশ না হওয়া!   লড়াই মানে আশার আলোর হাতছানি! লড়াইয়ের মানে হলো দায় নেয়া দায়িত্ব নিয়ে কিছু করা   লড়াইয়ের মানে হলো শা্সকের রক্তচক্ষুকে থোরাই কেয়ার করা!   লড়াইয়ের মানে হলো কথা ও ... বিস্তারিত পড়ুন →

কবি, সুলতা এবং…

–রুদ্র মোহাম্মদ ইদ্রিস ।। যখন সপ্তর্ষিমন্ডলের দিকে তাকাই মনে হয় সেখানেও তুমি – সগর্বে হাটছ সুলতার হাত ধরে দ্রাঘিমার আরো উপরে- যে হাত ছুঁয়েছে সুলতার মুখ – গ্রীবা সে হাত স্পর্শ করেছে হিমাদ্রী। দিনে দিনে তোমার র্কীতিস্তম্ভ জমে উঠেছে অন্তহীন বিস্ময় নিয়ে জ্যোতিষ্কের কক্ষপথে – তুমি অমর পথের যাত্রী। এক সবুজ আঁচল রমণী হাটে কবিতার পাতায় পাতায় টর্চ হাতে – কষ্টের রাতে… হে কবি তুমি আর সুলতা যখন বসো পাশাপাশি মুখোমুখি অবাক তাকিয়ে রয় একপাশে হিমাদ্রী – অন্যপাশে সপ্তর্ষি ।। visit:   http://www.prothom-aloblog.com/blog/sfk808 বিস্তারিত পড়ুন →

নক্ষত্র মানব

রুদ্র মোহাম্মদ ইদ্রিস (শ্রদ্ধেয় স্যার কবি শফিকুল ইসলামকে নিবেদিত) একটি নক্ষত্র অস্তমিত হলে আমরা তার প্রস্থান পানে চেয়ে রইলাম দীর্ঘ সময় আরো কিছু আলোক রশ্মির প্রয়োজন ছিল। একটি সাদা বক নিজস্ব ভাষায় ডেকে নিয়ে স্বজাতিদের ফিরে গেলো নীড়ে। আমরা যারা নক্ষত্রের অনুজ অর্ধমৃত অন্তরাত্মা পুড়ে ইটভাটার ভেতর ভেতর যেমন ঘুরপাক খায় অগ্নিরাশি। আমাদের আহত শরীরে ক্ষতের প্রলেপ দিতে কিছু কৃষ্ণ হাত এগিয়ে আসে সম্মিলিত আলোর বর্ণচ্ছটায় ওদের অস্তিত্ব ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যায় বাতাসে। হাসতে হাসতেই আমরা বলি হে নক্ষত্র মানব – আপনি ভালো থাকবেন, অন্তত কাকদের কর্কশধ্বনি আর শুনতে হবে না আপনাকে ।। visit:  ... বিস্তারিত পড়ুন →

ত্রয়ী গীতিকবিতা ।। শফিকুল ইসলাম

গীতিকবিতা-(০১) সেদিনের সেই তুমি কত বদলে গেছ আমার পৃথিবী আজও তেমনি আছে, যেমন দেখেছ॥ কোথায় সেই সুর, সেই গান প্রাণে প্রাণে এত মান অভিমান, মনে হয় যেন তুমি আজ সবই ভুলে গেছ॥ সেইসব দিন আজও আমায় আকুল করে ডাকে, যেতে যেতে পথে এখনও আমি দাড়াই থমকে॥ আজ ও আমি যে গানে গানে স্মরণ করি দিনগুলি মনে মনে, জানিনা তুমি আজ কোন পথে চলেছ॥ গীতিকবিতা-(০২) ভুলে আছি ভাল আছি, সেদিনের কথা আর তুলো না, দূরে আছি, বেশ আছি আমায় কাছে ডেকনা॥ রাতের স্বপ্ন প্রভাতে জাগরণে তুমি আর জাগায়ো না মিছে স্মরণে, নতুন করে আমি আর দুঃখ পেতে চাইনা॥ স্বপন দেখতে ভাল লাগেনা এখন স্বপন দেখলে বাড়ে জ্বালা অকারণ, মিলনের সুখ তো আমার কখনো প্রাণে ... বিস্তারিত পড়ুন →

স্মৃতির পাতা থেকে…

জীবনের নিঃসঙ্গ বন্ধুর পথ চলতে চলতে আকস্মিক তার সাথে দেখা। অজানা, অচেনা তবু যেন কত পরিচিত, যুগ জন্মান্তরের চেনা। ভাবি এই বুঝি আমার ঠিকানা, এখানেই বুঝি পথচলা শেষ। এখানেই বুঝি ভালবাসার ছায়ায় বিশ্রাম অবিরাম বিশ্রাম। কিন্তু সব ভাবনা কি সত্যি হয়, একদিন কাছে এসে ও কাছের মানুষ হারিয়ে যায়। আবার এই আমি সেই আমি হয়ে যাই। অসহায়,নিঃসঙ্গ,বিপন্ন। লক্ষ্যবিহীন শুরু হয় আবার পথচলা। যে যায় সেকি ফিরে আসে। আসে না। আসবে না একম ও তো বলা যায় না। আসতে ও তো পারে। এটি যুক্তির কথা। বাস্তবতা এই– তার সন্ধান আর মেলেনি। ফিরে আসবে একথা ভেবে কল্পনায় সুখ পাওয়া ও যেতে পারে। বাস্তবে নয়। তখন বুঝতে পারি, বেশ ... বিস্তারিত পড়ুন →

“স্মৃতি তুমি বেদনা…

পুরনো শহর মানে-স্মৃতির শহর, বহুদিন পর সেই পুরনো স্মৃতির শহরে ফেরা মানে- স্মৃতির আয়নায় নিজেকে মুখোমুখি দাড় করানো…. কত স্মৃতি,কত মুখ কত উদাস দুপুর,বিষন্ন গোধূলী, জোছনা-মাখা রাত… ফেলে আসা ক্ষণগুলো মুহুর্তে হৃদয়ে ভীড় করে। আর সেই সব সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা-নিশার পটভূমিতে কোন কোন মুখ আবার অবিকল মনে জাগে, হৃদয়ের অতলান্তে ঝড় তুলে…. তেমনি একটি মুখ সুলতা! বহুদিন আগের এই শহরে একটি মানবীর মায়াবী মুখ- যে মুখ স্বপ্ন দেখাতো বেচে থাকার, পথচলায় যোগাতো প্রেরণা– স্মৃতির শহরে ফিরে এলে তাকে তো মনে পড়বেই, তাকেই আরো বেশী মনে পড়বে- মনে পড়াটাই স্বাভাবিক ও মানবিক। যদিও দীর্ঘ দিনে দৃশ্যপট, চেনা পথ-ঘাট ... বিস্তারিত পড়ুন →

তোতাপাখি যদি হতাম, বইতে হতো না নিজস্ব কথা বলবার গুরুভার!

কবি শামসুর রাহমানের একটি কবিতা আজ শেয়ার করছি ফেসবুক বন্ধুদের কাছে। তবে বলে রাখি আমি কবিতার ভক্ত নই। কমই কবিতা পড়ি। হাতে পেলে পড়ার চেষ্টা করি এই মাত্র কবিতার শিরোনাম: প্রভুকে প্রভুকে প্রভু, শোনো এই অধমকে যদি ধরাধামে পাঠালেই, তবে কেন হায় করলে না তুমি তোতাপাখি আমাকেই? দাঁড়ে বসে ব বিজ্ঞের মতো নাড়তাম লেজখানি, তীক্ষ্ণ আদুরে ঠোঁট দিয়ে বেশ খুঁটতাম দানাপানি। মিলতো সুযোগ বন্ধ খাঁচায় বাঁধা বুলি কুড়োবার, বইতে হতো না নিজস্ব কথা বলবার গুরুভার। [ লেখকের ‘ শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতা ‘ নাম গ্রন্থের ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ অষ্টম সংস্করণ থেকে কবিতাটি নিয়েছি। মূল কাব্যগ্রন্থের নাম- বিধ্বস্ত ... বিস্তারিত পড়ুন →