‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর কথোপকথন’ বইয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর্যালোচনা

১৯৭১ সালের নয় মাসব্যাপী যে সংগ্রাম তার প্রসংগ এই দেশের ইতিহাসের জন্য দিকনির্দেশক ও পথপ্রদর্শক একটি চেতনা এবং প্রাণবিন্দু। এই নয় মাসের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা নিশ্চিতভাবেই আগামী দিনগেুলোতে কমতে থাকবে না বরং বাড়তেই থাকবে।  এবং যতই দিন যাবে ততই ইতিহাসের এই ক্ষণগুলোর পর্যালোচনা করেই আগামীর ইতিহাস রচনাকারীদের পদক্ষেপ নিতে হবে। সুতরাং এই ইতিহাসের আলোচনা ও পর্যালোচনা অনিবার্যভাবেই ভবিষ্যতে প্রাসংগিক হয়ে উঠবে ক্রমে ক্রমে আরো আরো বেশি করে। ব্যক্তিগতভাবে এই ইতিহাসকে চেনার চেষ্টা করতে আমার খুবই ভাল লাগে।  স্কুল জীবনে থাকার সময় কোত্থেকে যেন আমি পেয়েছিলাম এম আর আখতার মুকুলের ... বিস্তারিত পড়ুন →

’যখন বঙ্গভবনে ছিলাম’- আলোকিত হবার একটি বই

বইটি তেমন বড় নয়, মাত্র একশ’ দুই পৃষ্ঠার। আর ঘটনা যে তেমন আছে তাও নয়। মাত্র কয়েকটি ঘটনার সমাহার। তবে এইসব ঘটনা জাতীয় জীবনের ইতিহাসের সাথে সম্পৃক্ত। দেশের ইতিহাসের অংশ এইসব ঘটনা। এই সকল ঘটনাবলী যা ছিল অপ্রকাশিত সাধারণের মাঝে সেগুলো আজ লেখকের লেখায় প্রকাশিত হয়ে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। ব্রিগেডিয়ার শামসুদ্দীন আহমেদ, একজন সেনা কর্মকর্তা। তিনি একসময় বেশ কিছুদিনের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ভবন বঙ্গভবন-এ চাকরিসূত্রে অবস্থান করেছিলেন। সেখানে তিনি যা দেখেছেন, যেভাবে ঘটনাবলীকে বিশ্লেষণ করেছেন তা-ই আমরা তাঁর লেখায় দেখতে পাই। বইটির মুখবন্ধ লিখেছেন প্রখ্যাত লেখক ও শিক্ষক ... বিস্তারিত পড়ুন →

নীতিকথা: মানুষ ও মানুষভেদে নীতি কৌশলের মধ্যে পার্থক্য

একবার এক যুবক তার দাদুকে প্রশ্ন করলো- দাদু, মানুষ ও মানুষ যে নীতি কৌশল ব্যবহার করে থাকে তার মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে? দাদু বললেন, নাতি, তুমি খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছ। প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে আমি খুশিই হবো। কিন্তু তার আগে বলো, আমাদের সামনে দিয়ে যে ঘোড়ার গাড়িটি গেল তাতে যে ঘোড়াটি বাধা রয়েছে তা দেখেছ কী রকম বলশালী? আর গাড়িটি দেখেছ, কতো সুন্দর করে তৈরী করা হয়েছে? ঘোড়ার গাড়িটি কার তুমি কি জান? নাতি বললো, হ্যাঁ, দাদু জানি, ঘোড়ার গাড়িটি আমাদের গ্রামেরই একজন ধনী সজ্জন ভদ্রলোকের। দাদু: ও! তাহলে ঘোড়ার গাড়িটিতে যিনি বসে আছেন তিনি বোধহয় সেই ভদ্রলোকই হবেন। নাতি: না দাদু, গাড়িতে যিনি বসে আছেন ... বিস্তারিত পড়ুন →

সমাজতান্ত্রিক চিলি গঠনের আন্দোলনের নেতা সালভাদর আলেন্দে

দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশের নাম চিলি। প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে লম্বা করে দেশটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত। সম্ভবত দেশটির মানচিত্র লম্বা বাঁকানো মরিচের মতো বলে দেশটির নাম হয়েছে ‘চিলি’, চিলি মানে ইংরেজি ভাষায় মরিচ। এই দেশের ২৯তম প্রেসিডেন্টের নাম সালভাদর আলেন্দে। পুরো নাম সালভাদর গিলারমো আলেন্দে গোসেনেস (Salvador Guillermo Allende Gessens)। জন্মঃ ১৯০৮ সালের ২৬ জুন চিলির শান্তিয়াগো শহরে। মৃত্যুঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের ফলে সামরিক ক্যুদেতা’য় ১১ সেপ্টেম্বর,১৯৭৩। মৃত্যুর সময় বয়স ৬৫ বছর। স্ত্রীর নাম হরতেনসিয়া বাস্সি(Hortensia Bussi). সন্তান সংখ্যা ৩। তিনি চিলি দেশকে সমাজতান্ত্রিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মাও সেতুঙ-এর লেখা থেকে: আমলাতন্ত্রের ২০ ধরণের প্রকাশ বৈশিষ্ট্য বা প্রকাশ প্রকরণ

  মিঠুন চাকমা তারিখ: ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ চীনের কম্যুনিস্ট পার্টি বা সিপিসি তার গঠনকাল থেকে মাও সেতুঙেৃর সময় পেরিয়ে গিয়ে এখনো পর্যৃন্ত চীন দেশে পরিচালনাকালে আনুষ্ঠানিকতাবাদ, আমলাতান্ত্রিকতা ও বিলাসিতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। মাও সেতুঙ এই তিন বিষয়ে পার্টিতে ব্যাপক আলোচনা করেছেন। তিনি পার্টির মধ্যে আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন লেখা লিখেছেন। তার মধ্যে ‘Combat Bureaucracy, Commandism And Violations Of The Law And Of Discipline (Selected Works of Mao TseTung;Vol. 5; Page-84-85) এবং ১৯৭০ সালে লিখিত ‘Twenty Manifestations of Bureaucracy’ অন্যতম। সাম্প্রতিককালে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে চীনা কম্যুনিস্ট পাটির রাজনৈতিক ব্যুরো এক মিটিঙে ৮ টি শৃংখলামূলক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মিয়ানমারের কাচিন ভাষার প্রথম পত্রিকা ‘জিংপো টাইমস’

মিয়ানমার বা বার্মার একটি রাজ্যের নাম কাচিন ল্যান্ড। সেই রাজ্যের প্রধান জাতিসত্তার নাম কাচিন। তবে তারা নিজেদের বলেন জিংপো। চীনে এই জাতিসত্তার লোকজন বসবাস করছেন। সেখানে তাদের পরিচয় ‘শিংপো’ হিসেবে। এছাড়া ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের অরুনাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় এই জাতিসত্তার লোকজন রয়েছে। মিয়ানমারে কাচিন বা জিংপো জাতির লোকজনের সংখ্যা প্রায় ১০/১১ লাখ। পৃথিবীতে সবমিলে কাচিন বা জিংপো বা শিংপো জাতির জনসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। জিংপো বা কাচিন ভাষার প্রথম প্রকাশিত পত্রিকার নাম Jinghpaw Prat or Jinghpaw Times। ১৯৫৮ সালে এই প্রত্রিকাটি মিয়ানমারের রাজধানী রেংগুন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ছিলো সাপ্তাহিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

নির্যাতনের সমাজ মনস্তত্ত্ব

তারিখঃ ০৬ আগস্ট, ২০১৫ ইদানীঙকালে শিশু-কিশোর ও নারীর উপর নির্যাতন যেন বেড়ে গেছে, অন্তত পত্র-পত্রিকা-মিডিয়ার খবর পড়ে তা-ই মনে হয়। আমার কাছে মনে হয়েছে, দুর্বলের উপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার একটি সমাজ মনস্তত্ত্ব রয়েছে। এর শেকড় রাজনীতিতে। অন্তত বর্ত্তমান ‘শক্তিমত্তা বলমত্ততা’ প্রদর্শনের রাজনীতিতে তার শেকড় নিহিত বলেই বোধে জাগে। দেশে দুই পুঁজিপন্থী দলসমূহ ক্ষমতা দখলের, দেশ ও দশের সম্পদ লুটপাটের যে ধারা চালু রেখেছে ও এখন তাতে যেভাবে একটিমাত্র দলীয় বৃত্তভুক্তরা স্বমহীমায় আবির্ভূত হয়ে একইসাথে বিরোধীভুক্তদের নির্বংশ নাশ করছে ও নিজেদের বাহুবলী বজরঙ্গী বুজরুকী ... বিস্তারিত পড়ুন →

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের জুম্মদের অসামাজিক আচরণ!

ইন্টারনেট বা অন্তর্জাল বা ডিজিটাল মাধ্যম যেভাবেই এই বর্তমান আধুনিক তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তিকে অভিহিত করে থাকি, এটা বলা সংগত ও বাস্তবসম্মত যে, এই ইনফরমেশন টেকনোলজি আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জাতীয় সত্ত্বার অন্তর্ভুক্ত একটি বিশাল সংখ্যাবহুল অংশকে নানাভাবে ওতপ্রোতভাবে প্রভাবিত করেছে। এই মাধ্যমটির কল্যাণেই আজ আমরা আমাদের ক্ষীণমাত্রার চেঁচামেচি বা চিৎকার বা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইকে বেশ বৃহৎ এক পরিসরে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। বিশেষভাবে বৃহত্তর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক আমাদের সেই সুযোগটি হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও বিষাদগ্রস্ততার ... বিস্তারিত পড়ুন →

রাজনীতির চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়েই থাই!

রাজনীতির চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়ে থাই! রাজনীতির চিদে, হিলঅর চিদে মরে জুগঅ ধক কামাড়েই থাই! চিদে গুরিবার ন চ্যালেও চিদেআনি সুমি থাই, চিদঅত ফুদে দি জাই! কধা এলঅ একবজর সঙ এজেত্তে নভেম্বর,২০১৫ সঙ ফেসবুকঅত রাজনীতির লেঘালেঘি ন গুরিম! হালিক এগ্গান মন্তব্য হুব গুরিবার পরানে কঅর! সিআন অহলঅদে- আমা রাজনীতির ঘরআনঅত ভ্যান্টিলেটর বা ভাব জেবার নল/কানা/ফাইপ নেই! নেই কিনে বানা পজা বাচ বাইর অহয়, বিশেচগুরি ফেসবুকঅত! বেগঅর মনঅত থেবঅ, হাগারাসুরিত বেচ হিজুদিন আগে টয়লেট-অ গাদ-অত পুরিনেই পোল্লেম ৩ জন, তারপরে ২ জন গুরি মোট ৫ জন মানুচ মুজ্জোন। কেউ কি তোলেই চিওন এঞ্জান ঘদনা হিত্তেই উইয়ে? টয়লেট-অ গাত বানাদেও ... বিস্তারিত পড়ুন →

দেশপ্রেম বদমায়েশীর শেষ আশ্রয়

স্যামুয়েল জনসন নামে এক ব্যক্তি খুব জুতসই একটি কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন- Patriotism is the last refuge of a scoundrel(লিংক). আরো লিংক। এই উদ্ধৃতির বাংলা করলে দাঁড়ায়- দেশপ্রেম হলো একজন বদমায়েশের শেষ আশ্রয়। এই ‘বদমায়েশী’ বেশ বোঝা যেতো কয়েকবছর আগে, যখন পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অনেকে লেখালেখি করতেন,বলতেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্ন করার চক্রান্ত চলছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী’ যা করছে সব ভালোই করছে, এই কথাটি বলে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন রেখে দিতেন। এখন তারা তেমন জোরে কথা না বললেও তার ভুত যে দেশের প্রশাসনযন্ত্রের মধ্যে রয়েছে তা নানাভাবে উপলব্ধি করা ... বিস্তারিত পড়ুন →