জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা বিষয়ে কিছু ব্যক্তিগত প্রস্তাবনা

[জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্তৃপক্ষ জনগণের কাছ থেকে উন্মুক্তভাবে মতামত আহ্বান করে। গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া পড়ার পরে আমার মনে হয়েছে এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাবনা বা ভিন্নমত লিখে মেইলে বা ইমেইলে পাঠানো যায়। সে কথা ভেবে নিচের মতামত ইমেইলের মাধ্যমে প্রেরণ করেছিলাম। আজ(১৫ অক্টোবর, ২০১৫) তা ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশ করলাম। ] তারিখ: ৩০ আগস্ট, ২০১৫ ০১. (ক) জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালায় “অনলাইন গণমাধ্যম’এর সংঞ্জা বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে। বলা হয়েছে, গণমাধ্যম বলতে …. সম্প্রচারকারী ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে বলা হচ্ছে- সকল অনলাইন ... বিস্তারিত পড়ুন →

জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা বিষয়ে কিছু ব্যক্তিগত প্রস্তাবনা

[জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্তৃপক্ষ জনগণের কাছ থেকে উন্মুক্তভাবে মতামত আহ্বান করে। গণমাধ্যম নীতিমালার খসড়া পড়ার পরে আমার মনে হয়েছে এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাবনা বা ভিন্নমত লিখে মেইলে বা ইমেইলে পাঠানো যায়। সে কথা ভেবে নিচের মতামত ইমেইলের মাধ্যমে প্রেরণ করেছিলাম। আজ(১৫ অক্টোবর, ২০১৫) তা ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশ করলাম। ] তারিখ: ৩০ আগস্ট, ২০১৫ ০১. (ক) জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালায় “অনলাইন গণমাধ্যম’এর সংঞ্জা বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে। বলা হয়েছে, গণমাধ্যম বলতে …. সম্প্রচারকারী ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে বলা হচ্ছে- সকল অনলাইন ... বিস্তারিত পড়ুন →

সংঘের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে, সংহতি সাধিত হয় কায়, মন, বাক্যের সংহতির দ্বারা

একদা একসময় সিদ্ধার্থ গৌতম কোশাম্বির ঘোশিতারাম বিহারে অবস্থান করছিলেন। তিনি জানতে পারলেন সেখানে অবস্থানরত ভিক্ষুগণ নিজেদের মধ্যে বিবাদ করছেন, পরস্পরের ভুল ধরিয়ে দিচ্ছেন। একে অপরকে নানা কটুবাক্যের দ্বারা আঘাত করছেন। কলহ বিবাদ যেন বিহারকে নিরানন্দ করে দিলো! সিদ্ধার্থ গৌতম ভিক্ষু শ্রামনদের মধ্যে এই বিবাদের কথা জানতে পারলেন। তিনি সবাইকে ডাকলেন। তিনি তাদের বললেন, তোমরা যে বিবাদ করছো, ঝগড়া করছো তাতে কি তোমাদের কোনো লাভ হচ্ছে? কেন তোমরা বিবাদ করছো? তোমাদের বলছি- ১। তোমরা যদি কায়, মন, বাক্যে তোমার সতীর্থ বন্ধু, সহসাথীর সাথে মিত্রতার আচরণ করো, তাদের কল্যান কামনা করো তবে কি ... বিস্তারিত পড়ুন →

অস্ত্রগুরু বুড়ো ওস্তাদকে স্মরণঃ তার জীবন যেন ইতিহাস বইয়ের একটি পাতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণ একদা এক সুমহান স্বপ্ন পূরণের জন্য, অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সশস্ত্র সংগ্রাম করেছিল। সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করা ঠিক ছিলো বা বেঠিক ছিলো তা নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা পর্যালোচনা হলেও হতে পারে। কিন্তু রাজনৈতিক নেতৃত্বের ডাকে যে সকল যুব-ছাত্র-পরিণত বয়সের সাধারণ অগণিত জনতা সেই সশস্ত্র সংগ্রামের অগ্রযাত্রার পথিক হয়েছিল তারা তো এক আশার জন্য, এক নতুন দিনের স্বপ্ন পূরণের জন্যই সেখানে সশস্ত্র লড়াইয়ে যোগ দিয়েছিল। নলিনী রঞ্জন চাকমাও ঠিক সেই মহান সুমহান আশা নিয়েই যোগ দিয়েছিলেন শান্তিবাহিনীতে। বাংলাদেশ সরকার এই সশস্ত্র সংগ্রামকে বিচ্ছিন্নতাবাদের আন্দোলন, ... বিস্তারিত পড়ুন →

নীতিকথা: মানুষ ও মানুষভেদে নীতি কৌশলের মধ্যে পার্থক্য

একবার এক যুবক তার দাদুকে প্রশ্ন করলো- দাদু, মানুষ ও মানুষ যে নীতি কৌশল ব্যবহার করে থাকে তার মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে? দাদু বললেন, নাতি, তুমি খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছ। প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে আমি খুশিই হবো। কিন্তু তার আগে বলো, আমাদের সামনে দিয়ে যে ঘোড়ার গাড়িটি গেল তাতে যে ঘোড়াটি বাধা রয়েছে তা দেখেছ কী রকম বলশালী? আর গাড়িটি দেখেছ, কতো সুন্দর করে তৈরী করা হয়েছে? ঘোড়ার গাড়িটি কার তুমি কি জান? নাতি বললো, হ্যাঁ, দাদু জানি, ঘোড়ার গাড়িটি আমাদের গ্রামেরই একজন ধনী সজ্জন ভদ্রলোকের। দাদু: ও! তাহলে ঘোড়ার গাড়িটিতে যিনি বসে আছেন তিনি বোধহয় সেই ভদ্রলোকই হবেন। নাতি: না দাদু, গাড়িতে যিনি বসে আছেন ... বিস্তারিত পড়ুন →

আংকল স্যাম কে?

আংকল স্যাম কে? তারিখঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সহজ কথায় আমেরিকা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝাতে আংকল স্যাম নামটি ব্যবহার করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাক্তিক ব্যক্তিকীকরণ হলো আংকল স্যাম।এবং আসলেই আমেরিকায় আংকল স্যাম নামে একজন পরিচিত ছিলেন। নিউইয়রকের ট্রয় নামক স্থানে স্যামুয়েল উইলসন নামে একজন বয়স্ক ব্যক্তি থাকতেন। ১৮১২ সালে যখন আমেরিকায় যুদ্ধ চলছিল তখন তিনি সৈনিকদের জন্য রেশন সরবরাহের দায়িত্ব পান। তিনি সৈনিকরা যে রেশন পেতো সেগুলো প্যাকেটজাত করে পাঠাতেন। আর প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকত ‘E.A-U.S’। E.A-এর মানে যিনি এই রেশন সরবরাহের কাজটির ঠিকাদার ছিলেন তার নামে, তার ... বিস্তারিত পড়ুন →

এম এন লারমা স্মরণেঃ জয় আমাদের হবেই-হবে

তারিখঃ ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ এম এন লারমা, কারো কাছে তিনি পরিচিত লিডার, তার ভাই-বোনের কাছে তিনি মঞ্জু নামে পরিচিত, তার বড়বোন জ্যোতিপ্রভা লারমা তাকে আদর করে ডাকতেন ‘চিক্ক’, জুম্ম জনগনের প্রায় সকলের কাছে তিনি ‘অবিসিংবাদিত নেতা, কারো কাছে ‘আমাদের নেতা, পার্টি নামে তিনি পরিচিত ‘প্রবাহন’। তাঁর পুরো নাম মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামের সেই মৃত্যুঞ্জয়ী শহীদ নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা’র ৭৬তম জন্মদুন। ১৯৩৯ সালের এই দিন তিনি রাঙামাটির ‘মাওরুম’ নামে ছোট্ট নদীর/ছড়ার তীরে মাওরুম গ্রামে জন্মেছিলেন। তাকে নিয়ে অনেকেই আজ লিখবেন, বলবেন, ... বিস্তারিত পড়ুন →

সমাজতান্ত্রিক চিলি গঠনের আন্দোলনের নেতা সালভাদর আলেন্দে

দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশের নাম চিলি। প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে লম্বা করে দেশটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত। সম্ভবত দেশটির মানচিত্র লম্বা বাঁকানো মরিচের মতো বলে দেশটির নাম হয়েছে ‘চিলি’, চিলি মানে ইংরেজি ভাষায় মরিচ। এই দেশের ২৯তম প্রেসিডেন্টের নাম সালভাদর আলেন্দে। পুরো নাম সালভাদর গিলারমো আলেন্দে গোসেনেস (Salvador Guillermo Allende Gessens)। জন্মঃ ১৯০৮ সালের ২৬ জুন চিলির শান্তিয়াগো শহরে। মৃত্যুঃ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের ফলে সামরিক ক্যুদেতা’য় ১১ সেপ্টেম্বর,১৯৭৩। মৃত্যুর সময় বয়স ৬৫ বছর। স্ত্রীর নাম হরতেনসিয়া বাস্সি(Hortensia Bussi). সন্তান সংখ্যা ৩। তিনি চিলি দেশকে সমাজতান্ত্রিক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মাও সেতুঙ-এর লেখা থেকে: আমলাতন্ত্রের ২০ ধরণের প্রকাশ বৈশিষ্ট্য বা প্রকাশ প্রকরণ

  মিঠুন চাকমা তারিখ: ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ চীনের কম্যুনিস্ট পার্টি বা সিপিসি তার গঠনকাল থেকে মাও সেতুঙেৃর সময় পেরিয়ে গিয়ে এখনো পর্যৃন্ত চীন দেশে পরিচালনাকালে আনুষ্ঠানিকতাবাদ, আমলাতান্ত্রিকতা ও বিলাসিতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে যাচ্ছে। মাও সেতুঙ এই তিন বিষয়ে পার্টিতে ব্যাপক আলোচনা করেছেন। তিনি পার্টির মধ্যে আমলাতান্ত্রিক প্রশাসন পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন লেখা লিখেছেন। তার মধ্যে ‘Combat Bureaucracy, Commandism And Violations Of The Law And Of Discipline (Selected Works of Mao TseTung;Vol. 5; Page-84-85) এবং ১৯৭০ সালে লিখিত ‘Twenty Manifestations of Bureaucracy’ অন্যতম। সাম্প্রতিককালে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে চীনা কম্যুনিস্ট পাটির রাজনৈতিক ব্যুরো এক মিটিঙে ৮ টি শৃংখলামূলক ... বিস্তারিত পড়ুন →

মিয়ানমারের কাচিন ভাষার প্রথম পত্রিকা ‘জিংপো টাইমস’

মিয়ানমার বা বার্মার একটি রাজ্যের নাম কাচিন ল্যান্ড। সেই রাজ্যের প্রধান জাতিসত্তার নাম কাচিন। তবে তারা নিজেদের বলেন জিংপো। চীনে এই জাতিসত্তার লোকজন বসবাস করছেন। সেখানে তাদের পরিচয় ‘শিংপো’ হিসেবে। এছাড়া ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের অরুনাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় এই জাতিসত্তার লোকজন রয়েছে। মিয়ানমারে কাচিন বা জিংপো জাতির লোকজনের সংখ্যা প্রায় ১০/১১ লাখ। পৃথিবীতে সবমিলে কাচিন বা জিংপো বা শিংপো জাতির জনসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। জিংপো বা কাচিন ভাষার প্রথম প্রকাশিত পত্রিকার নাম Jinghpaw Prat or Jinghpaw Times। ১৯৫৮ সালে এই প্রত্রিকাটি মিয়ানমারের রাজধানী রেংগুন থেকে প্রকাশিত হয়। এটি ছিলো সাপ্তাহিক ... বিস্তারিত পড়ুন →